Ads 468x60px

আড্ডা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আড্ডা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১০

উবুন্টু-ফেডোরা রিলিজ পার্টি রিভিউ

লিনাক্সগুরুদের সাথে পরিচিত হবার যে শখ ছিল সেটা গত আড্ডায় কিছুটা মিটলেও কোথায় যেন একটা ঘাটতি ছিল। শাহরিয়ার ভাই (সামনে ভাই বলবো না, আমরা এক্স এআইইউবি গ্রাজুয়েট এবং কাছাকাছি দুটো ব্যাচ), রাসেল ভাই, এঞ্জেল ভাই, শামীম ভাই প্রমূখের সাথে ভালো করে পরিচিত হবার দরকার ছিল। আজ সেটা হয়ে গেল উবুন্টু-ফেডোরা রিলিজ পার্টিতে। অনুষ্ঠান তিনটায় শুরু হলেও আমি যেতে যেতে প্রায় সাড়ে তিনটা। রাস্তায় জ্যাম ছিল, যা অগ্রাহ্য করার ইচ্ছা থাকলেও উপায় ছিল না। তাই এ দেরী। দেখা হলো অনুপম ভাইয়ের সাথে, তারপর শাবাব ভাই, রাসেল ভাই, শাহরিয়ার, আকরাম ভাই, অসহায় ভাই (জীবন চৌধুরী) ও আরো অনেকের সাথে। কুশল বিনিময় চলার ফাঁকে এল চিকেন, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ইত্যাদি। সবাই চাচ্ছিল টি-শার্ট নিতে, কিন্তু অনাকাঙ্খিত দেরী হচ্ছিল। আলাপ ও খাওয়া দুটো একসাথেই চলছিল। রাসেল ভাই ব্যস্ত ছিলেন ছবি তোলায়। আমিও এক ফাঁকে তুললাম কিছু ছবি। নিজে অনুপস্থিত, রাসেল ভাইয়ের ছবিতে থাকতে পারি। এবার এলেন লিফোর মডু শামীম ভাই। তিনি এইচপি নেটবুক নিয়েছেন, সেটার সুবিধা-অসুবিধার লেকচার দিলেন আমাদের। আমরাও বাধ্য ছাত্রের মতো শুনলাম। শাবাব ভাই পরামর্শ চাইলেন নেটবুক সম্বন্ধে, এসার ভালো না ডেল না এইচপি এটা নিয়ে তিনি যথেষ্ঠ সন্দিহান। শামীম ভাই কি বলেছিলেন তা শোনার আগে অন্যদিকে চলে যাই। আকরাম ভাইয়ের সাথে পরিচয় হলো। তিনি ফটোশপ ইনস্টল করতে চাচ্ছেন, আমিও কি করা যায় পরামর্শ দিলাম। এরই মধ্যে চলে এল টি-শার্ট, ডিজাইন করেছেন অভ্রনীলদা। দুটো রঙ (সাদা ও কালো) ছিল, আমি দুটোই নিলাম। সব মিলিয়ে পাঁচটা নিলাম। বাসায় এসে দেখলাম চারটিই দিয়ে দিতে হবে। কাল এ্যামিগোজে যেয়ে আরো কটি নিতে হবে। যাই হোক এরপর কেক কাটা হলো, খাওয়া হলো। রাসেল ভাই ছবি তুললেন, অনেকেই তুললেন। তারপর একে একে অতিথিরা বিদায় নিতে শুরু করলেন, আমিও সবার কাছ থেকে বিদায় নিলাম। সাথে এল অনিক, আমার বাসার পথেই ওর বাসা তাই নিয়ে নিলাম গাড়ীতে। অনিক আহসানউল্লাহ ইউনিভার্সিটিতে ইইই পড়ছে ২য় বর্ষে। মোদ্দা কথা ভালো একটা পার্টি হলো। আরিব্বাস আসল কথাই বলিনি। এটা হয়েছিল HFC তে, রাপা প্লাজায়। ওহহো আরেকজনের সাথে দেখা হয়েছে, শাহরিয়ারের হবু বউ মানে আমাদের ভাবীর সাথে।

শনিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১০

লিনাক্স আড্ডায় প্রথমবার

লিনাক্স ফোরামে নিবন্ধিত হবার পর তিনটি আড্ডা হলো। যার প্রথম দুটোয় উপস্থিত হতে পারিনি কিছু পারিবারিক সমস্যায়। গতকাল ২৬ শে নভেম্বর শুক্রবার ৩য় আড্ডার সময় নির্ধারিত হয় কিছুদিন আগেই। এবার যাবো বলে ঠিক করেছিলাম প্রথম দুটো মিস করে। চারটার আগেই চলে আসি টিএসসিতে। এসে দেখি মূল গেট বন্ধ। দিলাম শাহরিয়ার ভাইকে ফোন। উনি আমার কথা বুঝতে পারছিলেন না। তারপর রাসেল ভাইকে কল দিলাম। তিনি বললেন তার আসতে দেরি হবে। আরো জানালেন উতা ভাই (শাবাব ভাই) আসছেন। আমাকে বললেন লোকজন জড়ো করতে। আমি পড়লাম ফ্যাসাদে। শাবাব ভাই, রাসেল ভাই, রিং ভাই, রণদা ছাড়া আর কাউকে ভালো করে চিনি না। খুঁজতে লাগলাম শাবাব ভাইকে। তার ট্রেডমার্ক দাড়ি দেখে চিনতে পারলাম। তারপর আলাপ, পরিচয় এবং অন্যান্যদের জন্য অপেক্ষা। একে একে অনিক ভাই, রিং ভাই, আহসান ভাই, রাব্বি ভাই প্রমুখ এলেন।

অত:পর আমরা রিং ভাইয়ের পরামর্শে পকেট গেট দিয়ে টিএসসিতে ঢুকলাম। মাঠে গিয়ে বসে পড়লাম। শাবাব ভাই শুরু করলেন তার বক্তব্য। প্রাঞ্জল ভাষায় লিনাক্স বিষয়ক বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরলেন। তার বক্তব্য শুনলাম, ভালো লাগল। শেষ সময়ে এলেন রাসেল ভাই, তখন সূর্যের আলো নেই বললেই চলে। তিনি এসেই আমাকে খুঁজলেন। আগের দুটো আড্ডায় আসিনি বলে ভেবেছিলেন এবারো আসবো না। এবার আর তা হয়নি। শাহরিয়ার ভাই বা এঞ্জেল ভাই না আসায় দ্বিধান্বিত ছিলাম চার তারিখের পার্টির রেজিস্ট্রেশন কিভাবে হবে। শাবাব ভাই রিসিট নিয়ে আসায় রেজিস্ট্রেশন করে নিলাম ১৫৫ টাকা দিয়ে। এরপর চলে আসার পালা, ইতিমধ্যেই রিংদা বিদায় নিয়ে নিলেন আমাদের কাছ হতে মোয়া খাওয়ার আহবান জানিয়ে। আমিও সবার কাছ হতে বিদায় নিয়ে রওনা দিলাম বাসার উদ্দেশ্যে।

আড্ডাটা মজার হলেও আসতে পড়তে হয়েছে দীর্ঘ যানজটের কবলে। যা সাময়িক বিরক্তির উদ্রেক করলেও লিনাক্স গুরুদের সাথে পরিচয়ের আনন্দকে ম্লান করতে পারেনি।

Like us on Facebook