Ads 468x60px

লিনাক্স লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
লিনাক্স লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ৭ জুলাই, ২০১৬

কুবুন্টুতে বাংলা সমস্যার সমাধান

কুবুন্টু ইনস্টল করার পর ওয়েবসাইটের বাংলা লেখা ঠিকমতো আসেনা। যুক্তাক্ষর ভেঙে যায়। এটি খুব সহজেই দূর করা যায়। এজন্য আমাদের ল্যাঙ্গুয়েজ সাপোর্ট ঠিক করতে হবে। টার্মিনাল খুলে নিচের কমান্ড এক্সিকিউট করুন।

sudo apt-get install $(check-language-support)

ভাষা বিষয়ক সমস্যা এর মাধ্যমে সমাধান হয়ে যাবে।

বাংলা ওয়েবসাইটে লেখা সুন্দর দেখার জন্য একুশে বা অমিক্রণল্যাবের কিছু ফন্ট ইনস্টল করে নিন। তারপর ফায়ারফক্স ছবির মতো করে সেট করুন।

ক্রোমিয়াম বা গুগল ক্রোমেও ফন্ট সেট করতে পারেন ছবির মতো করে।


 আশা করি এরপর বাংলা নিয়ে আর কোন সমস্যা হবেনা।

সোমবার, ২০ জুন, ২০১৬

উবুন্টু বা কুবুন্টুতে ফুজিৎসু ল্যাপটপের টাচপ্যাড সমস্যার সমাধান


আমার ফুজিৎসু ল্যাপটপে উবুন্টু বা কুবুন্টু ইনস্টল করার পর টাচপ্যাড কাজ করলেও তার কার্যপ্রণালী পরিবর্তন করা যায় না। এর ছোট্ট একটি সমাধান আছে।


এজন্য গ্রাব এডিট করা লাগবে। টার্মিনাল বা কনসোল খুলে নিচের লাইন লিখতে হবে শুরুতে।

sudo kate /etc/default/grub

নতুন ফাইলে নিচের লাইন খুঁজে বের করতে হবে।

GRUB_CMDLINE_LINUX_DEFAULT="quiet splash"

এটিকে পাল্টে নিচের মতো করতে হবে।

GRUB_CMDLINE_LINUX_DEFAULT="quiet splash i8042.notimeout i8042.nomux"

এবার ফাইলটি সেভ করে গ্রাব আপডেট করতে হবে।


sudo update-grub

এবার রিবুট করলেই কাজ শেষ। টাচপ্যাডের সেটিংস ইচ্ছামতো পরিবর্তন করা যাবে।

আশা করি অন্যান্য ল্যাপটপেও এর মাধ্যমে টাচপ্যাডের সমস্যার সমাধান হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৩

ওপেনসুয্যে ১৩.১ ইনস্টলের পর প্রয়োজনীয় ৩টি কাজ

একটা সময়ে নতুন লিনাক্স ডিস্ট্রো এলে আইএসও নামিয়ে ইনস্টল দিয়ে ফেলতাম। বাগ ভাল্লুক আছে কি নেই ওসব ভাবতাম না। এখন দিন বদলেছে। সহজে আইএসও নামানো হয় না। এক মাস, দুই মাস পর নামিয়ে দেখি কেমন হলো। দীর্ঘদিন ডেস্কটপ-ল্যাপটপের জায়গা দখলে রাখা ওপেনসুয্যের জন্যও তাই হলো। নতুন ভার্সন বোতলকে নামালাম সময় নিয়ে। ইনস্টল করলাম উবুন্টু মুছে। ডেস্কটপে ইনস্টল করেছি। ইনস্টল করলেই তো আর হয় না। লিস্ট ধরে কিছু যোজন-বিয়োজন করা লাগে। কি কি করেছি তার তালিকা দেয়াটা গুরুত্বপূর্ণ মনে করছি। আমার দেখাদেখি আরেকজন ওপেনসুয্যো ইউসার বাড়লে মন্দ কি। 

ক) আপডেট ও রিপোজিটরি যুক্ত করা
ইনস্টল করার পর পয়লা কাজ হলো আপডেট করা। সেজন্য টার্মিনালে ছোট্ট কটা লাইন লিখলেই চলে।
# zypper addrepo -f http://ftp.gwdg.de/pub/linux/packman/suse/13.1/ packman && zypper addrepo -f http://opensuse-guide.org/repo/13.1/ dvd && zypper ref && zypper update

উপরের কমান্ডে আপডেটের পাশাপাশি কিছু রিপোজিটরি যুক্ত করা হয়েছে। ভালো কথা এসব করার আগে su লিখে পাসওয়ার্ড দিয়ে রুটে যেতে হবে। তারপর কমান্ডগুলো দিলে সিস্টেম আপডেট হবে এবং প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইনস্টলেশানের জন্য প্রস্তুত হবে। নেট স্পিড আশানুরূপ না হলে সময় লাগবে। আবার আপডেট না করেও উপায় নেই, তাই মেনে নিন।

খ) মাল্টিমিডিয়ার জন্য প্রস্তুত করা
এবার মাল্টিমিডিয়ার জন্য তৈরী হোন। যথারীতি কনসোল বা টার্মিনাল খুলে নিচের কমান্ডগুলো কপি-পেস্ট করে দিন।
# zypper install libxine2-codecs k3b-codecs ffmpeg lame gstreamer-0_10-plugins-bad gstreamer-0_10-plugins-ugly gstreamer-0_10-plugins-ugly-orig-addon gstreamer-0_10-plugins-ffmpeg libdvdcss2 && zypper install flash-player && zypper install icedtea-web && zypper install xine-browser-plugin

গ) অন্যান্য সফটওয়্যার ইনস্টলেশন
আশা করা যায় যেসব সফটওয়্যার দেয়া আছে তা দিয়েই আপনার চলে যাবে যদি ডিভিডি হতে ইনস্টল করে থাকেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে কিছু সফটওয়্যার ইনস্টল করেছি। সেগুলো আপনারা করতে পারেন।
১। ভিএলসি মিডিয়া প্লেয়ার: ভিডিও দেখার জন্য এই সফটওয়্যারের জুড়ি মেলা ভার। আমি এটা দিয়েই সব ভিডিও দেখি।
২। ডেডবিফ অডিও প্লেয়ার: সিম্পল অডিও প্লেয়ার। গান শুনতে হলে এটাই আমার পছন্দ।
৩। শাটার: স্ক্রীনশট নেয়ার জন্য শাটারের বিকল্প দেখি না। তবে কেস্ন্যাপশট দিয়েও কাজ চলবে।
৪। ক্রোমিয়াম ব্রাউজার: গুগল ক্রোম নয়, ক্রোমিয়াম ইনস্টল করতে পছন্দ করি। ফায়ারফক্সের পাশাপাশি ওটাও মাঝে মাঝে চালানো হয়।
৫। ডেলুগ্য: টরেন্ট ফাইল নামানোর জন্য কেটরেন্ট দারুন, তবে আমি ডেলুগ্যে প্রেফার করি, মিউটরেন্টের ভাব দেখা যায়।
৬। স্কাইপ: ভিডিও কলের জন্য স্কাইপ দূর্দান্ত এপ্লিকেশান। এটাও ইনস্টল করে নেয়া যায়।
৭। ড্রপবক্স: ড্রপবক্স ছাড়া আমি অচল। ইনস্টল করে নিতে হয় চোখ বুঁজে।
৮। গিম্প ও ইঙ্কস্পেস: ছবি এডিটের জন্য বা ভেক্টর ইমেজ ড্র করার জন্য এই দুটো সফটওয়্যার লাগবেই।

উপরোল্লেখিত কাজগুলো অনুসরন করলে ওপেনসুয্যে নতুন ভ্রমনের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে। আমি ধরে নিচ্ছি প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইনস্টল করার দক্ষতা আপনার আছে। তাই পুরো প্রণালী বর্ণনা করলাম না। ইয়াস্টে গিয়ে সফটওয়্যার নাম দিয়ে খুঁজলে পেয়ে যাবেন। তবে টার্মিনালেও ইনস্টল করা যায়। ওটা নাহয় অন্য একদিন বলবো।

বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৩

ওপেনসুয্যেতে ফন্ট ঝকঝকে করার উপায়


ওপেনসুয্যে একটি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম। উবুন্টু, লিনাক্স মিন্ট, ফেডোরার পাশাপাশি এটাও অনেকের প্রিয় ওএসের তালিকায় রয়েছে। ওপেনসুয্যে ইনস্টল করার পর ফন্ট নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। যদিও নতুন এডিশানে বাই ডিফল্ট বাংলা সাপোর্ট রয়েছে তবুও কেমন যেন সাদামাটা দেখায় ফন্টগুলোকে। ফন্ট সুন্দর দেখানোর জন্য কিছু টুইক করতে হবে। আসুন দেখা যাক কিভাবে ফন্টের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা যায়।

কিকঅফ এপ্লিকেশন লঞ্চারের সার্চ বারে Fonts লিখে সার্চ দিন। প্রথমেই যে রেজাল্ট আসবে (Fonts) তাতে ক্লিক করলে নতুন উইন্ডো খুলবে।

এন্টি এলিয়াসিং এনাবল করুন এবং কনফিগারে ক্লিক করুন।

ইউএসবি সাবপিক্সেল রেন্ডারিং এ টিক চিহ্ন দিন এবং হিন্টিং স্টাইল ফুল বা মিডিয়াম দিন। তারপর ওকে চেপে এপ্লাই বাটনে ক্লিক করুন। কিছু এপ্লিকেশানে রিস্টার্ট ছাড়া কাজ করবেনা সেটা জানানো হবে। ওকে চেপে উইন্ডোগুলো বন্ধ করুন। অত:পর লগ-আউট করে লগ-ইন করলেই পার্থক্য বুঝতে পারবেন।

সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৩

উইন্ডোজ এইটে ফাস্ট বুট বন্ধ করার উপায়

উইন্ডোজ ৮ এর সাথে ডুয়াল বুটে লিনাক্স চালাতে গিয়ে দুটো সমস্যায় পড়েছিলাম। প্রথমত উইন্ডোজের ড্রাইভগুলো এক্সেস করতে পারছিলাম না আর দ্বিতীয়ত লিনাক্স থেকে উইন্ডোজে এলে টাইম পরিবর্তিত হয়ে যাচ্ছিল। গুগলে গুঁতাতেই কিছু সমাধান পেয়ে গেলাম। সেগুলোই আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।

প্রথমেই উইন্ডোজ ৮ এ লগ-ইন করতে হবে। কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে পাওয়ার অপশানটি খুলতে হবে। চিত্র-১ অনুসারে Change what the power buttons do তে ক্লিক করুন।

চিত্র-: পাওয়ার কন্ট্রোল প্যানেল

আরেকটি উইন্ডো খুলবে। স্ক্রল করে নিচে নামুন এবং ফাস্ট বুট অপশানের টিক চিহ্ণ তুলে দিন (চিত্র-)। তারপর সেভ করুন এবং পিসি রিবুট করুন। লিনাক্সে গিয়ে এনটিএফএস পার্টিশান এক্সেস করতে পারবেন এবং সময়ের সমস্যা মিটে যাবে।

চিত্র-: ফাস্ট বুট বন্ধ করার অপশান

হ্যাপি কম্পিউটিং।

মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৩

লিব্রে অফিসে বাংলা সেটাপ


অনেকদিন পর লিখতে বসলাম। বিষয়বস্তু প্রতিবারের মতোই ওপেনসোর্স সফটওয়্যার। আজ হঠাৎ ইন্টারনেটে ঘুরতে গিয়ে বিষয়টা খেয়াল করলাম। আমাদের অনেকে লিব্রে অফিসে বাংলা লিখতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন। আমার সামান্য চেষ্টা কি করে অতি সহজে সমস্যার সমাধান করা যায়।

প্রথমেই লিব্রে অফিস রাইটার বা স্টার্টার চালু করে নিন। টুলস ল্যাঙ্গুয়েজ সেটিংস এ গিয়ে নিচের ছবির মতো বাংলা সেটাপ করে নিন।

ওকে দিয়ে বেরিয়ে আসুন। আবার টুলস অপশানে গিয়ে লিব্রে অফিস রাইটার অপশানে বেসিক ফন্টস (CTL) সিলেক্ট করুন। সোলায়মানলিপি বা আপনার পছন্দের বাংলা ফন্ট সেট করুন ছবির মতো করে। ওকে বাটনে ক্লিক করে বেরিয়ে আসুন। দেখবেন কি সুন্দর বাংলা লেখা যাচ্ছে।

বাংলা লেখার আগে অবশ্যই কি-বোর্ড লেআউট পাল্টে বাংলা করে নিতে হবে।

বুধবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১২

লিব্রে অফিসের গতি বাড়ানোর তরিকা


আজকাল আমরা অনেক সচেতন। পাইরেসি না করে হলে গিয়ে ছবি দেখছি, অডিও সিডি কিনে গান শুনছি এমনকি উইন্ডোজ কিনতে না পারলে লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম চালাচ্ছি। অফিসিয়াল কাজে মাইক্রোসফট অফিসের ব্যবহার কমাতে সহায়তা করছি, কারন এত দাম দিয়ে অফিস স্যুট কেনার পয়সা সবার নেই। অফিসের বিকল্পের মধ্যে লিব্রেঅফিস অন্যতম। আমিও একজন এমএস অফিস ব্যবহারকারী, পাশাপাশি লিব্রেটাও ব্যবহার করছি। লিব্রে ব্যবহারকারীর একটা অভিযোগ থাকে এটা বড্ড স্লো, লোড হতে সময় লাগছে। মানছি লিব্রে স্লো, তাকে দ্রুত লোড করারও তো তরিকা আছে। ওটা না দেখেই হুট করে এসব মন্তব্য করা কি ঠিক ?

আসুন দেখি কি করে লিব্রে অফিস নামক ফ্রী অফিস স্যুট আরো কম সময়ে খুলতে পারা যায়।

শুরুতেই লিব্রে অফিস বা লিব্রে রাইটার খুলুন। টুলস হয়ে অপশানে যান। লিব্রে অফিসের নিচে লেখা মেমরীতে ক্লিক করুন। একটা নতুন পর্দা আসবে। সেটায় নিচের মত সেটাপ দিন।

  • আনডু স্টেপসের সংখ্যা দিন ২০।
  • গ্রাফিক্স ক্যাশে লিব্রে অফিসের জন্য ১২৮ মেগা বাইট ও প্রত্যেকটা অবজেক্টের জন্য ২০ মেগাবাইট নির্ধারন করে দিন।
  • অবজেক্টের সংখ্যা দিন ২০।
  • কুইক স্টার্টারে টিক চিহ্ণ দিতে ভুলবেন না যেন।

এবার ওকে চেপে অ্যাপ্লিকেশন রিস্টার্ট দিন। কি, লোড হওয়ার সময় কমেছে না ? এরপরে নিশ্চয় লিব্রে স্লো অপবাদ শুনতে হবে না ?  

শুক্রবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১২

উইন্ডোজ ইনস্টলের পর ওপেনসুয্যে ১২.২'র গ্রাব রিস্টোর

ওপেনসুয্যে ইনস্টল করার পরে উইন্ডোজ ইনস্টল করলে ওপেনসুয্যেকে বুটের সময় খুঁজে পাওয়া যায় না। খুব সহজে আমরা গ্রাব রিস্টোর করতে পারি। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন ওপেনসুয্যে ১২.২ গ্রাব-২ ব্যবহার করছে।

প্রথমে ওপেনসুয্যের ডিভিডি দিয়ে পিসি বুট করতে হবে। বুটের পর বিভিন্ন অপশানে মধ্যে রেসকিউ অপশানটি সিলেক্ট করতে হবে। লগইন অপশান এলে রুট লিখে এন্টার দিন। পাসওয়ার্ড দিতে হবে না, শুধু এন্টার চাপবেন।
login: root
password:
এরপর fdisk –l লিখে দেখে নিন পার্টিশান লিস্ট। কোন ডিস্কে লিনাক্স আছে ভাল করে দেখুন।
লিনাক্স পার্টিশান মাউন্ট করুন (আমার ক্ষেত্রে ছিল sda8) এবং পরের কমান্ডে অন্যান্য ডিস্ক মাউন্ট করুন।
mount /dev/sda8 /mnt
mount –-bind /dev /mnt/dev
অত:পর নিচের কমান্ড দিয়ে রেসকিউতে প্রবেশ করুন।
chroot /mnt
রেসকিউতে সফলভাবে প্রবেশের পর গ্রাব ইনস্টল করে নিন।
grub2-install /dev/sda
exit
reboot
রিবুটের পর দেখুন ওপেনসুয্যের বুটলোডার চলে এসেছে।

রবিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১২

ফায়ারফক্সে ফন্ট সেটাপ: ওপেনসুয্যে ১২.২

ইন্টারনেট ব্রাউজ করার জন্য ফায়ারফক্স আমাদের প্রিয় একটি ব্রাউজার। গতানুগতিক ফন্ট যদি পাল্টে নেয়া যায় তাহলে কেমন হয়? বিশেষ করে বাংলার জন্য, আর ইংরেজীর জন্য? সে কাজটিই আজ করবো। বাংলার জন্য ব্যবহার করবো সোলায়মানলিপি, ইংরেজীর জন্য অক্সিজেন। সোলায়মানলিপি ডাউনলোড করুন এই লিঙ্ক থেকে, তারপর ডাবল ক্লিক করে সিস্টেমের জন্য ইনস্টল করে নিন (দুইবার পাসওয়ার্ড দিতে হতে পারে)। অক্সিজেন ফন্ট ইনস্টল করার জন্য নিচের দুটো কমান্ড কপি-পেস্ট করুন টার্মিনালে। sudo zypper in git
git clone http://anongit.kde.org/oxygen-fonts ফন্ট ইনস্টল করা হয়ে গেলে ফায়ারফক্স চালু করুন। প্রেফারেন্সে গিয়ে কন্টেন্ট ট্যাব চালু করুন। এডভান্সে ক্লিক করে ফন্ট সেটাপ নিচের মতো করে দিন। ইংরেজীর জন্য বাংলার জন্য এবার দেখুন কেমন লাগছে বাংলা সাইটগুলো, পাশাপাশি ইংরেজী সাইটও দেখুন। পার্থক্য নিজেই বুঝতে পারবেন।

শনিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১২

ওপনসুয্যে ১২.২ ইনস্টল পরবর্তী কাজের তালিকা



ওপেনসুয্যে ইনস্টল করার পর কি কি করা লাগে তা নিয়ে টেনশানে ভুগি আমরা অনেকেই। আমি নিজেও প্রায়ই কনফিউজ হয়ে পড়ি। কি ইনস্টল করবো, কি করবো না এসব নিয়ে গুগল মামাকে গুঁতানো হয় প্রায়ই। মামা যেসব হেল্প নিয়ে আসে তা কিছু কাজে লাগে কিছু আবার বাহুল্য বলে মনে হয়। তাই চিন্তা ভাবনা করে সিদ্ধান্ত নিলাম নিজেই একটা লেখা লিখে ফেলি, “থিংস টু ডু আফটার ওপেনসুয্যে 12.2 ইনস্টলেশন”। লিখছি বাংলায়, ইংরেজী নাম কেন দেব? তা দিচ্ছিও না। বকর বকর না করে কাজের কথায় যাওয়া যাক। শুরুতে বলে রাখি এটা একান্ত আমার নিজস্ব দৃষ্টিকোণ থেকে বানানো কাজের তালিকা। একেকজনের চাহিদা একেকরকম থাকা স্বাভাবিক, তাই সবার ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটানো সম্ভব হয়নি।

প্রথম কাজ: রিপোজিটরি আপডেট

ইনস্টল করার পর সর্বপ্রথম কাজ ইন্টারনেট লাইন ঠিকমতো চলছে কিনা দেখা। আপনার ক্যাট5 ক্যাবল, কিংবা অপটক্যাল ফাইবার (যেটা আমি ব্যবহার করছি, হি হি), অথবা বাংলার সিংহের মডেম টেনেটুনে-টোকা দিয়ে দেখুন চলছে কিনা। সব ঠিক থাকলে আয়েশ করে পিসির সামনে বসুন।

ওপেনসুয্যে লগ-ইন করে কিক-অফ মেনু থেকে টার্মিনাল (কনসোল) খুলুন। নিচের লাইনগুলো পেস্ট করে দিন (Ctrl+Shift+v)। পেস্ট করে এন্টার চাপুন। পাসওয়ার্ড চাইলে রুটের পাসওয়ার্ড দিন। অপেক্ষা করুন কয়েক সেকেন্ড।
sudo zypper ar -f http://packman.inode.at/suse/openSUSE_12.2/ packman
sudo zypper ar -f http://opensuse-guide.org/repo/12.2/ libdvdcss

এরপর রিপো রিফ্রেশ করুন।
sudo zypper ref
অত:পর আপডেট দিন।
sudo zypper update

দ্বিতীয় কাজ: মাল্টিমিডিয়া

আপডেট শেষ হলে হয়তো ইচ্ছে হলো একটা গান শুনবেন। হার্ডডিস্কের মাইনকা চিপায় থাকা দুষ্টু ভিডিও দেখার শখও জাগতে পারে। তাহলে একটু সবুর করুন মশাই। কাজ আরো বাকি। মাল্টিমিডিয়া চালু করার জন্য নিচের কমান্ডগুলো পূর্বের নিয়মে কপি-পেস্ট করে টার্মিনালের কালো পর্দায় বসিয়ে দিন। এরপর এন্টার চেপে কিছু সময় অপেক্ষা করুন (এবার সময় বেশি লাগবে)।
sudo zypper in libdvdcss2 vlc libxine2-codecs libxine2-pulse k3b-codecs lame  gstreamer-0_10-ffmpeg gstreamer-0_10-plugins-bad  gstreamer-0_10-plugins-ugly gstreamer-0_10-plugins-ugly-orig-addon  w32codec-all MPlayer smplayer gstreamer-0_10-plugins-good libxine2  libdvdplay0 libdvdread4 libdvdnav4 xine-ui libmad0 libavutil51 sox  libxvidcore4 xvidcore libavcodec52 libavdevice52 libvlccore4 libvlc5 lsb  pullin-flash-player flash-player gstreamer-0_10-ffmpeg  gstreamer-0_10-fluendo-mp3 gstreamer-0_10-fluendo-mpegdemux  gstreamer-0_10-fluendo-mpegmux gstreamer-0_10-plugins-base  gstreamer-0_10-plugins-good-extra k3b vlc-aout-pulse libquicktime0  gstreamer-0_10-plugins-bad-orig-addon gecko-mediaplayer

কোডেক ইনস্টল হলো, আপনার প্রিয় ভিএলসি প্লেয়ারটাও ইনস্টল করা দরকার।
sudo zypper in vlc

আরেকটা মিডিয়া প্লেয়ার ইনস্টল করতে পারেন, সেটা হলো এসএমপ্লেয়ার।
sudo zypper in smplayer

ক্লেমেন্টাইন নামক একটা মিডিয়া প্লেয়ার অনেকের ভাল লাগতে পারে, গান শুনতে হলে এটা দারুণ কাজ দেয়।
sudo zypper in clementine

তৃতীয় কাজ: ইন্টারনেট

ইন্টারনেট ব্রাউজার হিসেবে ফায়ারফক্স দেয়া থাকে, আমি আবার মাঝে মাঝে গুগল ক্রোম ব্যবহার করি। আপনিও চেখে দেখতে পারেন গুগল ক্রোম নিচের লিঙ্কে গুঁতিয়ে।

আরেকটা ব্রাউজার, নাম তার ক্রোমিয়াম। আমার ভাল লাগে, ইনস্টল করতে পারেন গুগল ক্রোমের বিকল্প হিসেবে।
sudo zypper in chromium

অডিও-ভিডিও ডাউনলোড করার জন্য Kget, Ktorrent দেওয়াই আছে। এরপরেও প্রয়োজন হলে জেডাউনলোডার ইনস্টল করে নিতে পারেন। টরেন্টের জন্য ডেল্যুগে ইনস্টল করা যেতে পারে।
sudo zypper in deluge
চতুর্থ কাজ: অন্যান্য প্যাকেজ

আরো কিছু প্রয়োজনীয় প্যাকেজ ইনস্টল করে রাখা যায়।

অ্যাডব রিডার
sudo zypper in acroread
শাটার
sudo zypper in shutter
আইসো মাউন্ট করার জন্য AcetoneISO ইনস্টল করে নিন।
sudo zypper in acetoneiso

উইন্ডোজ ঘরানার অ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য Wine ইনস্টল করতে পারেন। যা সফটওয়্যার সেন্টারে খুঁজলেই পেয়ে যাবেন। যারা ভাবছেন সফটওয়্যার সেন্টার আবাই কই থেকে উদয় হলো তাদের বলছি, ওপেনসুয্যের স্পেশাল একটা সাইট আছে ([url]http://software.opensuse.org[/url]); যেখানে কোন অ্যাপ্লিকেশনের নাম দিয়ে সার্চ দিলে ওয়ান-ক্লিক ইনস্টলার হাজির হয়। ডাউনলোড করে (ঘাবড়াবেন না, সাইজ অতি ক্ষুদ্র) ইনস্টল করতে হয় শুধু।



পঞ্চম কাজ: হার্ডডিস্ক অটো মাউন্ট

আপনার হার্ডডিস্কের শুধু একটি বা দুটি পার্টিশান লিনাক্সের জন্য বরাদ্দ রেখেছেন, বাকিগুলো একসেস করতে গেলে আবার পাসওয়ার্ড দিতে হয়। রাইটও করা যায় না। এসব অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এড়াতে হলে নিচের পদ্ধতি অনুসরন করুন।

Yast → System → Partitioner  এ ক্লিক করতে হবে। তারপর আপনার হার্ডডিস্কের বর্তমান অবস্থা ভেসে উঠবে একটি উইন্ডোতে। যে পার্টিশান মাউন্ট করতে চান তাতে রাইট ক্লিক করে Edit এ ক্লিক করুন। আরেকটি উইন্ডো খুলবে সেখান থেকে ছবির মতো মাউন্ট পয়েন্ট (/windows/DRIVE) ঠিক করে দিন।







এরপর ফিনিশে ক্লিক করে বের হয়ে আসুন। এভাবে সবকটি ড্রাইভ মাউন্ট করতে পারবেন।

শেষ কাজ: কেডিই আপগ্রেড (অপশনাল)

এই কাজ সম্পূর্ণ অপশনাল। চাইলে করতে পারেন। না চাইলে বাদ দিয়ে দিতে পারেন। কাজটা হলো কেডিই আপডেট। আমি যেহেতু সর্বশেষ ডিই ব্যবহার করতে চাই সেহেতু ওপেনসুয্যের সঙ্গে আসা কেডিই 4.8 এ চলছে না। নতুন কেডিই হলো 4.9; এটিতে আপগ্রেড করার জন্য নিচের দুটো রিপোজিটরি ইনস্টল করতে হবে।

sudo zypper addrepo http://download.opensuse.org/repositories/KDE:/Release:/49/openSUSE_12.2/KDE:Release:49.repo[/code]
[code]sudo zypper addrepo http://download.opensuse.org/repositories/KDE:/Extra/KDE_Release_49_openSUSE_12.2/KDE:Extra.repo

রিপোজিটরি ইনস্টল হয়ে গেলে যথারীতি রিফ্রেশ ও আপডেট।

sudo zypper ref
sudo zypper update

পরের ধাপে Yast → Software → Software Management এ ঢুঁ মারতে হবে।


নতুন উইন্ডোর View → Repositories এ ক্লিক করে কেডিই রিপোটি সিলেক্ট করতে হবে। তারপর Switch System Packages এ ক্লিক করে বর্তমান প্যাকেজগুলোকে নতুন রিপোতে নিয়ে নিন।



Accept করে দেখুন নতুন একটি উইন্ডো খুলেছে। OK ক্লিক করে কাজ করার অনুমতি দিয়ে দিন। সিস্টেম কেডিই 4.9 এ সুইচ করবে। এরপর রিস্টার্ট করলেই নতুন কেডিইতে প্রবেশ করবেন।

শেষ কথা

উপরে যে কাজের তালিকা লিখলাম তা শুধু আমার মতো করে। কারো হয়তো অভ্র ইনস্টল করা লাগতে পারে, কারো মডেমের ড্রাইভার। ওসব নাহয় পরে কোন এক সময় আলোচনা করা যাবে। আজ সাধারন কিছু কাজের তালিকা দিলাম যা ওপেনসুয্যেকে প্রতিদিনের কাজে ব্যবহারের উপযোগী করে তুলবে। আমি আশা করছি যারা লিনাক্স মিন্ট, উবুন্টু চালাচ্ছেন তারা অন্তত একটিবার হলেও ওপেনসুয্যে ইনস্টল করে দেখবেন। আমার যে অল্প কয় বছরের লিনাক্স ডিস্ট্রোর অভিজ্ঞতা তাতে ওপেনসুয্যের কেডিই ভার্সনটিকে সেরা কেডিই মনে হয়েছে। বাকিটুকু নিজেই যাচাই করে নিন।

শুক্রবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১২

ওপেনসুয্যে 12.2: ভিডিও প্রিভিউ এনাবলের উপায়

ওপেনসুয্যে ইনস্টল করার পর হার্ডডিস্কের ভিডিওর প্রিভিউ দেখা যায় না। একগাদা ভিডিওর মাঝ হতে প্রয়োজনীয় ভিডিও বের করা কিঞ্চিৎ বিরক্তিকর। ডলফিন ফাইল ম্যানেজারে বাই ডিফল্ট অপশানটা ডিজেবল করা থাকে। একটাই কারণ, তা হলো প্রপাইটরি কোডেকের লাইসেন্সজনিত বাধা। তো ভিডিও প্রিভিউ এনাবল করতে হলে ধাপে ধাপে এগুতে হবে। একে একে দেখা যাক কি করা যায়।

প্রথম ধাপ

প্রথমেই প্রয়োজনীয় কোডেক ইনস্টল করে নিন। এজন্য নিচের কমান্ডগুলো টার্মিনালে পর্যায়ক্রমে দিন।
sudo zypper addrepo http://packman.inode.at/suse/12.2/packman.repo
sudo zypper addrepo http://www.opensuse-guide.org/repo/12.2/libdvdcss.repo
sudo zypper refresh
sudo zypper install libxine2-codecs k3b-codecs ffmpeg lame gstreamer-0_10-plugins-bad gstreamer-0_10-plugins-ugly gstreamer-0_10-plugins-ugly-orig-addon gstreamer-0_10-plugins-ffmpeg libdvdcss2

দ্বিতীয় ধাপ

Yast → Software Management এ ক্লিক করুন।




সার্চ বক্সে kde-mplayer লিখে সার্চ দিন। kde-mplayer-thumbnailer সিলেক্ট করে বাম পাশে টিক চিহ্ন দিন। ইনস্টল করুন।





তৃতীয় ধাপ

এরপর হোম ফোল্ডারে গিয়ে কনট্রোলে ক্লিক করে (রেঞ্চ আইকন) ডলফিন কনফিগারে প্রবেশ করুন। বাম পাশের জেনারেল অপশানে ক্লিক করে ডান পাশের প্রিভিউ ট্যাবে ক্লিক করুন। স্ক্রল করে নিচে নামুন, ভিডিও ফাইল থাম্বসে টিক চিহ্ন দিন। এরপর ওকে ক্লিক করে বেরিয়ে আসুন।



ব্যস, কাজ শেষ। এরপর ভিডিও ফোল্ডার ব্রাউজ করে দেখুন। প্রিভিউতে ক্লিক করলে ভিডিও ফাইলের প্রিভিউ দেখা যাবে।


বুধবার, ১১ জুলাই, ২০১২

ফুজিৎসু ল্যাপটপে টাচপ্যাড সমস্যার সমাধান: ওপেনসুয্যে


অবশেষে সফলতার মুখ দেখলাম। লিনাক্সে টাচপ্যাড নিয়ে ঝামেলা পাকানো ল্যাপিটাকে (Fujitsu LH531) ঠিক করলাম। উবুন্টুতে ঠিক করে কাজ চালিয়েছিলাম। এখন সফল হলাম ওপেনসুয্যেতেও। কিভাবে কি করলাম দেখে নেয়া যাক।

Yast → Boot Loader এ ক্লিক করলে নিচের মত ছবি আসবে। দেখতে হবে ওপেনসুয্যের এন্ট্রি সিলেক্ট করা আছে কিনা। এরপর Edit বাটনে ক্লিক করতে হবে।

নতুন উইন্ডো খুলবে, তার শেষে Optional Kernel Command Line Parameter এর শেষে i8042.notimeout i8042.nomux যুক্ত করতে হবে। ছবিতে সবুজ কালিতে মার্ক করা।


এরপর সেভ করে বেরিয়ে আসতে হবে। এরপর রিস্টার্ট করলে টাচপ্যাড খুঁজে পাবে ওপেনসুয্যে।

বিকল্প
প্রথমে কনসোল বা টার্মিনাল খুলে নিচের কমান্ড দিতে হবে।

kdesu kwrite /boot/grub/menu.lst

তারপর পাসওয়ার্ড দিলে একটা ফাইল খুলবে। সেখানে ওপেনসুয্যের এন্ট্রি খুঁজে নিয়ে নিচের লাইন যোগ করে দিতে হবে সবার শেষে।

i8042.notimeout i8042.nomux

এরপর সেভ করে বেরিয়ে আসতে হবে। রিস্টার্টের পর টাচপ্যাড কাজ করবে। ‌

সোমবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১২

উবুন্টু প্রিসাইজ প্যাঙ্গলিন রিভিউ


 
সে প্রায় দুই বছর আগের কথা। লুসিড লিঙ্কস নামক একটা লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম এসেছিল। সেটা দেখে লিনাক্সের প্রতি আগ্রহ ভালবাসায় রূপ নিয়েছিল। সেই থেকে নিয়মিত লিনাক্সে আছি। ক্যানোনিকালের বের করা উবুন্টু লুসিডের পর ভাল একটা ডিস্ট্রোর সন্ধান করেছি এতদিন। ফেডোরা, ওপেনসুয্যে, ফুডুন্টু, চক্র ইত্যাদি দেখা হয়েছে। মিন্ট তো ছিলই।অপেক্ষায় ছিলাম কবে আরেকটি ডিস্ট্রোয় থিতু হব। অবশেষে গত ২৬ এপ্রিল রিলিজ হল প্রিসাইজ প্যাঙ্গলিন বা উবুন্টু বার দশমিক শূণ্য চার। এটি অন্যদের চেয়ে আলাদা কারণ লুসিডের মত এটিও লং টার্ম সাপোর্ট রিলিজ। যেদিন রিলিজ হয় মানে ২৬ তারিখ সময় যেন কাটছিল না। বিকালে কর্মস্থলে গিয়েছিলাম পরীক্ষার গার্ড দিতে, বাসায় ফিরে ডাউনলোড দিয়ে সে রাতেই ইনস্টলেশন প্রক্রিয়া শেষ করি। ডাউনলোড করেছি ৩২ বিট ভার্সনটি, কারণ বাংলালায়নের মডেম চালাতে হবে যা ৬৪ বিটে কাজ করে না।

ইউনিটি ডেসক্টপ

বাই ডিফল্ট ডেস্কটপ এনভায়রনমেন্ট হিসেবে দেয়া হয়েছে ইউনিটি। অতীতে ইউনিটি ভাল লাগেনি। তাই বলে এবারো লাগবেনা এমনটা তো নয়। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম চালিয়েই দেখি না। সমস্যায় পড়লাম পরিচিত অ্যাপ্লিকেশন মেন্যু না পেয়ে। তার পরিবর্তে উবুন্টুর লোগোয় ক্লিক করে আসা সার্চ বারে নাম লিখলে অ্যাপ্লিকেশন হাজির হবে। কি এক মুসিবত। পরে খেয়াল করলাম ডানদিকের কোণায় ফিল্টারে ক্লিক করলে হাজির হচ্ছে প্রোগ্রাম মেন্যু। না, এটা ভাল লাগেনি।

আমি সিডি নামিয়েছিলাম, তাই সব প্রোগ্রাম পাওয়ার কথা না। যেগুলো আমার চোখে পড়েছে তা হল, ফায়ারফক্স, লিব্রে অফিস, শটওয়েল, ট্রান্সমিশান, এম্প্যাথি, রিদমবক্স ইত্যাদি। এত অল্প প্রোগ্রামে আমার হবে না। তাই একে একে নামিয়ে নিলাম হটট, গিম্প, এসএমপ্লেয়ার, পিজিন, ক্লেমেন্টাইন, ভিএলসি, ক্রেমিয়াম, জুপিটার ইত্যাদি। সাথে একগাদা প্রয়োজনীয় কাজ যা না করলেই নয় (যেমন বিভিন্ন কোডেক ইনস্টলেশন, টুইক ইনস্টল করা)। আর অবশ্যই গ্নোম-শেল। শেল ছাড়া আমার হবে না। অন্যান্যবার ইউনিটি ফেলে দিতাম। এবার আর তা করলাম না। ইউনিটি থাকলো তার জায়গায়, আর গ্নোম-শেল এল নিজস্ব বৈশিষ্ট্য নিয়ে। পালা করে চালানো হবে দুটোই। আর কার্ণেল দেয়া হয়েছে পিএই, যা চার জিবির বেশি র‍্যাম লাগালে সনাক্ত করতে পারবে সহজে। তাই ৬৪ বিট নিয়ে টেনশান না করলেও চলছে।

গ্নোম শেল ডেস্কট

প্রিসাইজ প্যাঙ্গলিনে কিছু বাগ দেখা গেছে। আমি ও আমার কয়েকজন বন্ধু তা প্রত্যক্ষ করেছে। যেমন – নটিলাস ক্রাশ করা, ল্যাপটপের লিড বন্ধ করে চালু করলে ফ্রিজ হওয়া, টাচপ্যাডকে মাউস হিসেবে পাওয়া ইত্যাদি। আমার ফুজিৎসু ল্যাপিতে ওয়েবক্যামের সমস্যা ছিল। সেটি এখানে দেখলাম না। এজন্য ভাল লেগেছে। টাচপ্যাডের সমস্যাটা না থাকলে উবুন্টু নিয়ে মনের ভেতর আফসোসটা থাকতো না।

সবকিছু দেখে আমি প্যাঙ্গলিনের উপর হতাশ নই। যেহেতু প্রত্যেক রিলিজের শুরুতে বাগ থাকে এবং তা পরে ঠিক করা হয় তাই ছোটখাট বাগ নিয়ে চিন্তিত নই। আপনারা যারা এখনো চেখে দেখেননি তারা দেখতে পারেন কেমন হলো প্রিসাইজ প্যাঙ্গলিন। আশা করি হতাশ হবেন না।

আপনাদের উবুন্টু যাত্রা শুভ হোক :)

বৃহস্পতিবার, ১২ এপ্রিল, ২০১২

ফুডুন্টুতে বাংলা ফন্ট সেটআপ


ফুডুন্টুতে ফন্ট সেটআপ করার জন্য বাংলাদেশের লিনাক্স কমিউনিটির পরিচিতমুখ সারিম খানের ডেভেলপ করা পাইফন্টফিক্সার বেশ কাজের টুল। এজন্য প্রথমেই ফেডোরার জন্য ডেভেলপ করা ভার্সনটি নামিয়ে নিতে হবে। তারপর টার্মিনাল ওপেন করে নিচের কমান্ড দিতে হবে।

beesu chmod +x /usr/share/pyfontfixer/pyfontfixer.py

এরপর সহজে অ্যপ্লিকেশন মেনু হতে টুলটি চালানো যাবে।

বাংলা ফন্ট সেটআপ করার জন্য দ্বিতীয় ফন্টটি সিলেক্ট করতে হবে প্রত্যেক ক্যাটাগরির মধ্যে (ছবিতে লক্ষ্য করুন)। আমি যেমন সোলায়মানলিপি দিয়েছি বাংলা ফন্ট হিসেবে, আর প্রথম ফন্টের জন্য বেছে নিয়েছি ড্রয়েড ফন্ট।



পাইফন্টফিক্সার পাবেন এই ঠিকানায়।

বুধবার, ১১ এপ্রিল, ২০১২

ফুডুন্টুতে যাত্রা


ফুডুন্টু একটি অপেক্ষাকৃত নবীন ডিস্ট্র। মূলত ল্যাপটপ, নেটবুক প্রভৃতির কথা ভেবে এটি তৈরী করা হয়েছে। আমার লেনোভো নেটবুকে একবার ফুডুন্টু ইনস্টল করেছিলাম। সেবার এসিপিআই সমস্যার জন্য একদিন চালিয়ে আবার উইন্ডোজে ফিরে যেতে হয়েছিল। এবার ফুজিৎসু ল্যাপটপে ইনস্টল দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম কিছুদিন রাখব বলে। সেজন্য নতুন ভার্সনের (২০১২-) আইসো ডাউনলোড সেরে ইউনেটবুটইন দিয়ে পেনড্রাইভ বুটেবল করে নিলাম। ফুডুন্টুর লাইভ এনভায়রনমেন্টে গিয়ে দেখে নিলাম নতুন ভার্সনে কি কি দেয়া আছে।

যা দেওয়া আছে -

সাটার, ক্রোমিয়াম ব্রাউজার, পিজিন, শটওয়েল, ভিএলসি, বানশী, চিজ প্রভৃতি বাই ডিফল্ট দেয়া হয়েছে। অফিস স্যুট হিসেবে রয়েছে গুগল ডক্স। ল্যাপটপের পাওয়ার অপশানটা রিলায়েবল করার জন্য জুপিটার নামক অ্যাপ্লিকেশনটাও দিয়েছে তারা। আর ফাইল শেয়ার করার জন্য রয়েছে ড্রপবক্স। আর মজার বিষয় হল গ্নোম শেলের যুগে তারা এখনো গ্নোম ২ নিয়ে পড়ে আছে। উবুন্টুর ইউনিটি বা ফেডোরার গ্নোম শেল ব্যবহার না করতে চাইলে, পেতে চাইলে উবুন্টু ল্যুসিড লিঙ্কসের স্বাদ দারুণ একটি ডিস্ট্র ফুডুন্টু। এভান্ট উইন্ডো ম্যানেজার রয়েছে ডক হিসেবে। কম্পিজও দিয়ে দিয়েছে ডেভেলপাররা। অর্থাৎ শুরুতেই ডেস্কটপের সেই “ওয়াও” ইফেক্ট। আবার সিন্যাপটিকও দেয়া, দেয়া আছে সিস্টেম টুল অ্যালিউরাস (Ailurus)

যা কিছু প্রয়োজন ছিল -

আমি মিস করেছি ফায়ারফক্স, ডকি, গিম্প, টরেন্ট ক্লায়েন্ট ট্রান্সমিশান, অফিস স্যুট লিব্রে ইত্যাদি। তবে এগুলো পরবর্তীতে ইনস্টল করার ব্যবস্থা আমার জানা আছে। তাই খুব হতাশ নই। আমি আরো কিছু অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করি যেমন – হটট, জেডাউনলোডার, আরিয়া২, ইউগেট ইত্যাদি। ওসব নিয়ে পরে ভাবলেও চলবে।

সবকিছু দেখে বুঝলাম এই “চিজ” একবার চালিয়ে দেখি। ভাল লাগলে নাহয় নিয়মিত ব্যবহার করব। তাই দেরী না করে ইনস্টল দিয়ে দিলাম।

ওমা, ইনস্টলেশন হুবহু ফেডোরার মত। উমম, এতো ফেডোরার ফর্ক। আরপিএম বেজড ডিস্ট্র। নামটা যদিও কেমন কেমন, ফুডুন্টু। মনে হতে পারে উবুন্টুর কোন ফর্ক। আসলে তা নয়। ফেডোরা (FeDora) ও উবুন্টু (UbUNTU) মিলে এই ডিস্ট্র, তাই ফুডুন্টু। দুটো মেজর ডিস্ট্রোর ভাল দিকগুলো নিয়ে এটা ডেভেলপ করা, তাই ফুডুন্টু আরেকটু বেটার।

ইনস্টলেশন শেষে পোস্ট ইনস্টলেশন পর্ব। সেটা এখন নয়, আগামী কিস্তিতে বলবো।

সেই পর্যন্ত যারা আগ্রহী তারা ঘুরে আসতে পারেন ফুডুন্টুর ওয়েবসাইটে, নতুন ডিস্ট্র সম্বন্ধে জানাও হল আর আমার লেখাটাও স্বার্থক হলো।

বৃহস্পতিবার, ৫ এপ্রিল, ২০১২

হটট ইনস্টল করুন ওপেনস্যুযেতে

প্রায় বছরখানেক আগে লিখেছিলাম কি করে ওপেনস্যুযে নামক অপারেটিং সিস্টেমে হটট নামক টুইটার ক্লায়েন্ট ইনস্টল করা যায়। তখনকার চেয়ে এখন আরেকটু অভিজ্ঞ হয়েছি। তাই ইনস্টলেশনের সিস্টেমটাও সংক্ষিপ্ত করছি। আর ওপেনস্যুযের ভার্সনও পাল্টে গেছে, বার দশমিক এক। কথা না বাড়িয়ে দেখি কি কি করতে হবে।
প্রথমেই রুটে চলে যাবেন। তারপর নিচের কমান্ডগুলো পর্যায়ক্রমে দিয়ে যাবেন।
zypper in python-webkitgtk mercurial python-notify python-distutils-extra gnome-common mercurial git
zypper in python-keybinder
hg clone https://hotot.googlecode.com/hg/ hotot
cd hotot
./install
ব্যস, এবার অ্যাপ্লিকেশন মেনুতে হটট পেয়ে যাবেন। আমি ওপেনস্যুযে ৬৪ বিট গ্নোম ডিইতে ইনস্টল করেছি। কাজেই ৩২-বিটে সহজে ইনস্টল করতে পারবেন, সমস্যা হবার কথা নয়।

সোমবার, ২ এপ্রিল, ২০১২

উইন্ডোজ ইনস্টলেশনের পর ফেডোরার গ্রাব২ উদ্ধার পদ্ধতি

উইন্ডোজ ইনস্টলেশনের পর ফেডোরা ১৬'র গ্রাব২ উদ্ধার করা যায় খুব সহজে। প্রথমে ফেডোরার ইনস্টলেশন ডিস্ক চালু করতে হবে। তারপর ট্রাবলশুটিং এ যেতে হবে। যে মেনু আসবে তা হতে রেসকিউ অপশানটি বেছে নিতে হবে। ভাষা, কি-বোর্ড প্রভৃতি সিলেক্ট করে দেয়ার পর শেলে যাওয়ার অপশান আসবে এবং তা সিলেক্ট করতে হবে। শেলে এলে নিচের কমান্ড পর্যায়ক্রমে দিতে হবে। fdisk -l দেখে নিন আপনার লিনাক্স পার্টিশান কোনটি। ধরে নিলাম sda হচ্ছে আপনার হার্ডডিস্ক। chroot /mnt/sysimage এরপর গ্রাব ইনস্টল করার পালা। /sbin/grub2-install /dev/sda রিবুট করার জন্য নিচের কমান্ড দিন। reboot এবার ডিস্কটি সরিয়ে নিন। বুট করলে দেখবেন গ্রাব চলে এসেছে। হ্যাপি লিনাক্সিং :)

সোমবার, ৫ মার্চ, ২০১২

লিনাক্স মিন্ট ডেবিয়ানে লিব্রে অফিসের নতুন সংস্করণ

লিনাক্স মিন্ট ডেবিয়ান ইনস্টল করলাম কয়েক ঘন্টা পূর্বে। দেখলাম লিব্রে অফিসের সাম্প্রতিক ভার্সন নেই, দেয়া আছে তিন দশমিক তিন ভার্সনটি। আমার তো নতুন ভার্সন চাই, কি করা যায়। ডাউনলোড করে নিলাম নতুন ভার্সনের (3.5.0) সংকুচিত ইনস্টলেশন ফাইল। এরপর টার্মিনালে নিচের কমান্ডগুলো একে একে দিয়ে ইনস্টল করে নিলাম লিব্রের সাম্প্রতিক ভার্সন।
১। প্রথমে পুরনো সংস্কারটি ঝেড়ে ফেলতে হবে। এজন্য দরকার এই কমান্ড:
sudo apt-get purge libreoffice*
২। এরপর ডাউনলোডকৃত ফোল্ডার যেখানে আনজিপ করা হয়েছে সেখানে যেতে হবে। একটা ফোল্ডার থাকবে DEBS নামে, সেটায় গিয়ে এই কমান্ড:
sudo dpkg -i *.deb
৩। ডেস্কটপ ইন্টিগ্রেশন নামে একটি ফোল্ডার আছে, সেখানে গিয়েও একই কমান্ড চালাতে হবে।:
sudo dpkg -i *.deb
৪। কাজ শেষ, এবার মেনুতে দেখুন। লিব্রে অফিসের নতুন সংস্করণ (3.5.0) শোভা পাচ্ছে।
এভাবেই লিনাক্স মিন্ট ডেবিয়ানে ইনস্টল করে নিলাম নতুন লিব্রে অফিস। আপনারাও করে নিন, দেরী কেন ?

বৃহস্পতিবার, ৯ জুন, ২০১১

ফেডোরা ইনস্টলের পর করণীয় : পর্ব ২

ফেডোরা (১৫) লাভলক ইনস্টলের পর অনেকে বুঝে উঠতে পারেন না কি করবেন। গ্নোম ৩ অনেক নতুনত্ব নিয়ে এসেছে, তাই এতকাল গ্নোম ২ চালিয়ে আসা ব্যবহারকারীরা অভ্যস্থতার জন্য অসুবিধায় পড়েন। গুগলে ঘাঁটাঘাটি করে অনেক কিছু জানা যায়, তবে নিজের ভাষায় জানতে পারলে মন্দ কি ? তাই আমার এ ক্ষুদ্র চেষ্টা।

১) সুডোর ব্যবহার

ফেডোরায় সুডো এনাবল করার জন্য নিচের কমান্ড দিন।

রুটে যাওয়ার জন্য নিচের (su) কমান্ডটি দিয়ে এন্টার চাপুন, পাসওয়ার্ড দিয়ে রুটে প্রবেশ করুন।
su
yum install nano
nano /etc/sudoers

এবার নিচের লাইনটি খুঁজে বের করুন।
root ALL=(ALL) ALL
তার নিচে রুটের পরিবর্তে আপনার ইউজার নেম দিয়ে ফাইলটি সেভ করুন (লাইনটির নিচে লিখবেন, লাইনটি মুছবেন না)। ধরি আপনার ইউজার নেম xyz, তাহলে কোডটি হবে-
xyz ALL=(ALL) ALL
Ctrl+W চেপে এন্টার চাপলে সেভ হয়ে যাবে। এরপর Ctrl+x চেপে বেরিয়ে আসুন। হয়ে গেল, এবার আপনি সুডো কমান্ডটি দিয়ে কাজ করতে পারবেন, বার বার রুটে যেতে হবে না।

২) সবচেয়ে গতিশীল মিরর খুঁজে নিন

ফেডোরার অনেকগুলো মিররের মাঝে কোনটি আপনার জন্য দ্রুত কাজ করবে তা বের করার জন্য টার্মিনালে নিচের কমান্ডটি দিন।
sudo yum install yum-fastestmirror

প্যাকেজ ইনস্টলের বা আপডেটের সময় এর ফল দেখতে পাবেন।

৩) আরপিএম ফিউশন যুক্ত করুন

এই থার্ড পার্টি রিপোজিটরি যুক্ত করে আপনি বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করতে পারবেন, যেগুলো ফেডোরা বা রেড-হ্যাট দিতে অনিচ্ছুক।

sudo yum localinstall --nogpgcheck http://download1.rpmfusion.org/free/fedora/rpmfusion-free-release-stable.noarch.rpm http://download1.rpmfusion.org/nonfree/fedora/rpmfusion-nonfree-release-stable.noarch.rpm

৪)রেস্ট্রিকটেড কোডেক ইনস্টলেশন

এমপিথ্রী সহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কোডেক ইনস্টলের জন্য দিন নিচের কমান্ড।

sudo yum install gstreamer-plugins-good gstreamer-plugins-bad gstreamer-plugins-bad-free gsreamer-plugins-bad-nonfree gstreamer-plugins-ugly gstreamer-ffmpeg xvidcore

৫) ফাইল আর্কাইভার প্লাগ-ইন

sudo yum install p7zip p7zip-plugins unrar

৬) টুইক টুল

গ্নোম টুইক টুল দিয়ে গ্নোম শেলের থিম পরিবর্তন, ডেস্কটপে রাইট-ক্লিক এনাবল, আইকন পরিবর্তন ইত্যাদি কাজ করা যায়।

sudo yum install gnome-tweak-tool

এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন আরেকটি কাজের টুইক টুল Ailurus, এটা দিয়ে আপনি সফটওয়্যার ইনস্টলেশন কিংবা রিপোজিটরি যুক্ত করা বা সিস্টেম ইনফরমেশন ইত্যাদি সুবিধা পাবেন।

৭) ফ্ল্যাশ প্লাগইন

sudo yum install gnash gnash-plugin

sudo yum install flash-plugin

৮) ভিএলসি ইনস্টলেশন

sudo yum install vlc


৯) টরেন্ট ক্লায়েন্ট ইন্সটলেশন

sudo yum install deluge

আপাতত এগুলোই জানালাম, সামনের পর্বে আরো কিছু টুইক জানাবো; ততদিন হ্যাপি লিনাক্সিং :)

Like us on Facebook