Ads 468x60px

সিনেমার গল্প লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সিনেমার গল্প লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

মুভি রিভিউ: ডিপার্চারস (২০০৮)

আজকে একটি ছবির রিভিউ বলব। ছবির নাম ডিপার্চারস। ছবিটি দেখেছি প্রায় দুই বছর আগে, লেখাটাও পুরনো।



এটি জাপানি ছবি যেটি বেশ কটি পুরস্কার জিতে নিয়েছে । ছবির গল্প আবর্তিত হয়েছে এক চাকরি হারানো যুবককে ঘিরে যে নিজের কষ্টগুলো নিজের ভিতর চেপে রাখে। টোকিও শহরে মিউজিক টিমে কাজ করা দাইগো যখন চাকরি হারিয়ে শখের বাদ্যযন্ত্রটি বিক্রি করে দেয় তখন অন্যরকম একটা অনুভূতি হয় । পরবর্তীতে সে চলে আসে নিজের শহরে যেখানে কাজ নেয় মৃতদেহকে সাজ-সজ্জা করানোর । একাজ মেনে নিতে না পেরে স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যায় । সে সময়ে দাইগোর অবলম্বন হয় ছোটবেলার কমদামি পুরনো বাদ্যযন্ত্রটি আর হারিয়ে যাওয়া ছেলেবেলার স্মৃতিচারণ ।একসময় সন্তানসম্ভবা স্ত্রী ফিরে আসে দাইগোর কাছে যখন দাইগোর ডাক পড়ে কাছের একজন মানুষকে শেষবারের মত সাজানোর কাজের ।

ছবির শেষাংশে দেখা যায় ৩০ বছর আগে চলে যাওয়া পিতার জন্য সন্তানের ভালবাসা, দাইগোর স্মৃতিতে পিতার কোন চেহারা ছিল না।ছিল একজন পুরুষের হাতে ছোট্ট এক শিশুর তুলে দেওয়া একটি শ্বেতপাথরের ছবি। পিতার মৃতদেহের হাতে থাকা সেই পাথরটি মনে করিয়ে দেয় সন্তানের প্রতি জন্মদাতার অকৃত্রিম ভালবাসা । যে দৃশ্য জমতে থাকা কান্নাকে থামতে দিতে চায় না।মনে করিয়ে দেয় আমাদের চারপাশে থাকা শত শত পিতার কথা ।

আশা করি ছবিটি আপনাদের ভাল লাগবে । সময় পেলে দেখে ফেলুন DEPARTURES (Academy Award 2009 Winner & 10 Japan Academy Prize Winner) ।

বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০১১

মুভি রিভিউ : লিভ হার টু হিভেন (১৯৪৫)

কয়দিন আগে দেখলাম একটি চমৎকার ছবি “লিভ হার টু হিভেন” (১৯৪৫)। এটি একটি রোমান্টিক ছবি। শীতের এক রাতে দেখতে বসে গেলাম। রিভিউ ভালো লিখতে পারিনা। তবুও একটা চেষ্টা চালালাম।

ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্র একজন লেখক। যাকে ভালোবেসে বিয়ে করে এক তরুণী। বিয়েটা হয় হঠাৎ করে। অনেকটা এক তরফা ভালোবাসা মনে হয় কিছু মুহুর্তে। তরুণ লেখক তার শারিরীক প্রতিবন্ধী ভাইকে প্রচন্ড ভালোবাসে। যা সহ্য করতে পারেনা তার নতুন বউ। তবুও স্বামীর সুখের কথা ভেবে বউটি অসুস্থ দেবরের সেবা করে যায়। সে তার প্রিয় লেখক স্বামীকে একান্তে পেতে চায়, কিন্তু পায়না তার লেখার ব্যস্ততায়। অবসর সময়টুকু কেটে যায় ভাইয়ের সাথে গল্প করে। দিন চলে যায়, একসময় রিচার্ড (লেখক) তার ভাইয়ের অনুরোধে তাদের পুরনো বাড়িতে ফিরে যায়। সেখানে এক সকালে গোসল করতে গিয়ে লেকের পানিতে ডুবে মারা যায় রিচার্ডের ভাই। সাঁতারে দক্ষ এলেন (লেখকের বউ) পাশে থাকার পরেও ভাইয়ের মৃত্যু মেনে নিতে পারছিল না রিচার্ড। এমন সময় তার ঘরে নতুন অতিথির আগমন বার্তা ঘোষিত হয়। শোক ভুলতে শুরু করে রিচার্ড। এলেন আবার তার স্বামীকে দূরে সরে যেতে দেখে। এবার তার সময় দখল করে নিচ্ছে এলেনের সৎবোন। সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে বাচ্চা নষ্ট হয়ে যায় এলেনের। এবার আর সহ্য করতে পারেনা রিচার্ড। সে সন্দেহ করে এলেনই তার ভাইয়ের মৃত্যু ও বাচ্চার মৃত্যুর জন্য দায়ী, এলেন তা স্বীকারও করে নেয়। রিচার্ড তাকে ছেড়ে চলে যায়। এদিকে তখন নতুন চক্রান্ত করে এলেন। সে আত্নহত্যা করে, তবে এমনভাবে ঘটনা সাজায় যাতে ফেঁসে যায় তার ছোট বোন ও স্বামী রিচার্ড। তবে শেষ পর্যন্ত ছোট বোনটি বেঁচে গেলেও দুই বছরের সাজা হয় রিচার্ডের। একসময় রিচার্ড ফিরে আসে, তার জন্য অপেক্ষায় থাকা রুথ (এলেনের ছোট বোন) ফিরে পায় তার ভালোবাসা।

ছবিটিতে অভিনয় করেছেন চল্লিশের দশকের সাড়া জাগানো অভিনেত্রী Gene Tierney (Ellen), রিচার্ডের চরিত্রে Cornel Wilde এবং রুথের চরিত্রে Jeanne Crain; আপনারা ছবিটি দেখতে পারেন। ভালো লাগবে। আইএমডিবি রেটিং ৭.৭, এটি অস্কার পেয়েছিল (বেস্ট সিনেমাটোগ্রাফি)। অস্কার মনোনয়ন পেয়েছিল তিনটি ক্যাটাগরিতে (বেস্ট অ্যাকট্রেস, বেস্ট আর্ট ডিরেকশান-ইন্টেরিয়র ও বেস্ট সাউন্ড রেকর্ডিং)। একটি মাস্টারপিস ছবি, কালেকশনে রাখার মতো।

Like us on Facebook