Ads 468x60px

ভুয্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ভুয্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২৮ মার্চ, ২০১২

ফেডোরা ১৬ তে টার্মিনালের মাধ্যমে এপ্লিকেশন লঞ্চার যুক্ত করুন

ফেডোরা ১৬ তে alacatre কাজ করে না। তাই এপ্লিকেশন লঞ্চার বানানোর জন্য অন্য উপায় খুঁজছিলাম। গুগলে ঘাঁটতে ঘাঁটতে নিচে বর্ণিত উপায় পেয়ে গেলাম। কাস্টম এপ্লিকেশন লঞ্চার তৈরী করার জন্য প্রথমে রুটে লগ-ইন করতে হবে। তারপর নিচের কমান্ড দিয়ে লঞ্চার বানাতে হবে।
nano /usr/share/applications/app.desktop
এবার যে ফাইল খুলবে তাতে নিচের লাইনগুলো দিতে হবে।
[Desktop Entry]
Encoding=UTF-8
Name= Application_Name
GenericName= Application_Name
Comment= Application_Type
Exec= Application_Address
Icon= Icon_Address
Terminal=false
Type=Application
MimeType=text/plain;
Categories=Application_Category;
Name[en_US]=Application_Name

এবার নিচের কমান্ড দিয়ে এন্ট্রি আপডেট করতে হবে।
su -c '/usr/bin/update-desktop-database'
এভাবে টার্মিনালের মাধ্যমে গ্নোম৩-এ এপ্লিকেশন লঞ্চার যুক্ত করা যায়।
উদাহরণস্বরূপ আমার ল্যাপটপের বিটটরেন্ট ক্লায়েন্ট ভুজ্যের লঞ্চারের জন্য নিচের কোডগুলো ব্যবহৃত হয়েছে।
[Desktop Entry]
Encoding=UTF-8
Name=Vuze
GenericName=Vuze
Comment=Bittorrent Client
Exec=/home/tareq/.vuze/vuze
Icon=/home/tareq/.vuze/vuze.png
Terminal=false
Type=Application
MimeType=text/plain;
Categories=Network;
Name[en_US]=Vuze

বৃহস্পতিবার, ১৫ মার্চ, ২০১২

সময়ের দাবী ম্যাগনেট লিঙ্ক

সাম্প্রতিক সময়ে পাইরেসির বিরুদ্ধে আমেরিকার যুদ্ধ ঘোষণায় বিপাকে পড়ে বন্ধ হয়ে গেছে অনেক ফাইল শেয়ারিং সাইট। কিছু টরেন্ট সাইটের ওপরও কোপ পড়েছে। এতে করে সাময়িক অসুবিধা হলেও অনেকে সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠছে, বেরুচ্ছে নানান পন্থা। বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় টরেন্ট শেয়ারিং সাইট পাইরেট বে তাদের কার্যক্রমে এনেছে ব্যাপক পরিবর্তন। তারা বন্ধ করে দিয়েছে টরেন্ট ফাইল হোস্টিং। টরেন্ট ফাইল বন্ধ করে তারা প্রায় সব ফাইলের ম্যাগনেট লিঙ্ক দিচ্ছে। প্রশ্ন আসতে পারে কি এই ম্যাগনেট লিঙ্ক ? ম্যাগনেট ফাইল কি বলার পূর্বে টরেন্ট ফাইলের ধারনা পরিষ্কার করা প্রয়োজন। যখন আপনি একটি টরেন্ট ফাইল (.torrent) নামাচ্ছেন তখন আপনার টরেন্ট ক্লায়েন্ট ছোট সেই ফাইলের কাছে পেয়ে যায় বড় ফাইলের যাবতীয় তথ্য। এর মধ্যে রয়েছে ফাইলের নাম, ট্র্যাকার লিস্ট ইত্যাদি। টরেন্ট ক্লায়েন্ট তখন ইউনিক হ্যাশ কোড ক্যালকুলেট করে দেখে আর কে কে সেই বড় ফাইলটি শেয়ার করছে। হিসাব নিকাশ শেষ করে সে ফাইল নামাতে বসে যায়। আর ম্যাগনেট লিঙ্ক বিষয়টা আরেকটু সহজ করে দেয় (কোন কোন ক্লায়েন্টের কাছে কঠিন)। এটা যে ফাইল নামাতে চাচ্ছেন তার হাইপারলিঙ্ক, যাতে রয়েছে হ্যাশ কোড। ক্লায়েন্ট শুরুতেই হ্যাশ কোড হিসাব করে নেয়। তারপর নামাতে শুরু করে। মজার ব্যাপার হলো ম্যাগনেট লিঙ্কের কো‌ন ট্র্যাকার প্রয়োজন হয় না। কিংবা ডাউনলোড করার জন্য কোন অতিরিক্ত ফাইল নামাতে হয় না। অর্থাৎ টরেন্ট ফাইলের জন্য আমাদেরকে ট্র্যাকার ফাইলটি (.torrent) নামাতে হয় এবং সেটি খুলতে হয় টরেন্ট ক্লায়েন্ট দিয়ে। ম্যাগনেট লিঙ্ক নামাতে চাইলে একটি ক্লিকেই কাজ হচ্ছে। যেমন পাইরেট বে সাইটে গিয়ে গেট দিস টরেন্ট (একটা ম্যাগনেট আইকন) লিঙ্কে ক্লিক করলে ব্রাউজারই লিঙ্কটিকে ডিফল্ট টরেন্ট ক্লায়েন্ট দিয়ে খুলবে। তারপর টরেন্ট ক্লায়েন্ট হ্যাশ কোড হিসাব করে নিয়ে ডাউনলোড শুরু করবে। অনেকক্ষেত্রে ক্লায়েন্টভেদে ডাউনলোডের জন্য একটা ফোল্ডার নির্দিষ্ট করে দিতে হতে পারে। আমি এক্ষেত্রে ভুয্য টরেন্ট ক্লায়েন্ট বেশ স্মার্ট বলবো। এক ক্লিকেই সে ফাইলের হ্যাশ কোড হিসাব করে নেয়। ইদানিং তাই ভুয্য ব্যবহার করছি। অন্য জনপ্রিয় টরেন্ট ক্লায়েন্ট যেমন মিউটরেন্ট, ডেলুগে, ট্রান্সমিশন ইত্যাদি দিয়েও ম্যাগনেট লিঙ্ক ব্যবহার করা যায়।

Like us on Facebook