Ads 468x60px

বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১০

ফেডোরাতে ওপেনঅফিস আপডেট ভার্সন ইনস্টলেশন

ফেডোরা অনেক লিনাক্স ব্যবহারকারীর পছন্দের ডিস্ট্রো। ফেডোরার কেডিই ভার্সনে সাধারনত ওপেন অফিস দেয়া থাকে না। যারা ওপেন অফিসে অভ্যস্থ তাদের জন্য বিষয়টা অস্বস্তিকর হয়ে পড়ে। তাই আজ দেখব কি করে ওপেন অফিসের নতুন ভার্সন ইনস্টল করা যায়।

প্রথমে কনসোল খুলে নিন এবং নিচের কমান্ড দিন।

32- বিট ডিস্ট্রোর জন্য

[code]wget http://download.services.openoffice.org/files/stable/3.2.1/OOo_3.2.1_Linux_x86_install-rpm-wJRE_en-US.tar.gz[/code]


64-বিট ডিস্ট্রোর জন্য

[code]wget http://download.services.openoffice.org/files/stable/3.2.1/OOo_3.2.1_Linux_x86-64_install-rpm-wJRE_en-US.tar.gz[/code]


ডাউনলোড হয়ে গেলে রুট ইউজার হিসেবে লগ-ইন করুন।

[code]su -[/code]


এবার ডাউনলোডকৃত ফাইলটি এক্সট্রাক্ট করুন। হোম ফোল্ডারে সেটি পাবেন। রাইট ক্লিক করে এক্সট্রাক্ট করতে পারেন অথবা কনসোলে কমান্ড দিন।

[code]tar -xvf OOo_3.2.1_Linux_x86_install-rpm-wJRE_en-US.tar.gz[/code]


64-বিটের জন্য কমান্ডটি হবে নিম্নরূপ।

[code]tar -xvf OOo_3.2.1_Linux_x86-64_install-rpm-wJRE_en-US.tar.gz[/code]


এবার এক্সট্রাক্টকৃত ফোল্ডারে যান নিচের কমান্ড দিয়ে।

[code]cd OOO320_m18_native_packed-1_en-US.9502[/code]


এবার নিচের কমান্ড চালিয়ে গ্রাফিক্যাল সেটআপ শুরু করুন।

[code]./setup[/code]


ওপেন অফিস এভাবে গ্রাফিক্যালি সেট-আপ করতে পারবেন।

একটি কথা মনে রাখবেন, যদি ওপেন অফিস ইনস্টল করা থাকে তবে নতুন ভার্সন ইনস্টলের পূর্বে তা আনইনস্টল করে ফেলতে হবে।

তার জন্য নিচের কমান্ড চালাতে পারেন।

[code]yum remove openoffice.org<<version>>[/code]


ফেডোরা অনেক লিনাক্স ব্যবহারকারীর পছন্দের ডিস্ট্রো। ফেডোরার কেডিই ভার্সনে সাধারনত ওপেন অফিস দেয়া থাকে না। যারা ওপেন অফিসে অভ্যস্থ তাদের জন্য বিষয়টা অস্বস্তিকর হয়ে পড়ে। তাই আজ দেখব কি করে ওপেন অফিসের নতুন ভার্সন ইনস্টল করা যায়।
প্রথমে কনসোল খুলে নিন এবং নিচের কমান্ড দিন।
32- বিট ডিস্ট্রোর জন্য

[code]wget http://download.services.openoffice.org/files/stable/3.2.1/OOo_3.2.1_Linux_x86_install-rpm-wJRE_en-US.tar.gz[/code]

64-বিট ডিস্ট্রোর জন্য

[code]wget http://download.services.openoffice.org/files/stable/3.2.1/OOo_3.2.1_Linux_x86-64_install-rpm-wJRE_en-US.tar.gz[/code]

ডাউনলোড হয়ে গেলে রুট ইউজার হিসেবে লগ-ইন করুন।

[code]su -[/code]

এবার ডাউনলোডকৃত ফাইলটি এক্সট্রাক্ট করুন। হোম ফোল্ডারে সেটি পাবেন। রাইট ক্লিক করে এক্সট্রাক্ট করতে পারেন অথবা কনসোলে কমান্ড দিন।

[code]tar -xvf OOo_3.2.1_Linux_x86_install-rpm-wJRE_en-US.tar.gz[/code]

64-বিটের জন্য কমান্ডটি হবে নিম্নরূপ।

[code]tar -xvf OOo_3.2.1_Linux_x86-64_install-rpm-wJRE_en-US.tar.gz[/code]

এবার এক্সট্রাক্টকৃত ফোল্ডারে যান নিচের কমান্ড দিয়ে।

[code]cd OOO320_m18_native_packed-1_en-US.9502[/code]

এবার নিচের কমান্ড চালিয়ে গ্রাফিক্যাল সেটআপ শুরু করুন।

[code]./setup[/code]

ওপেন অফিস এভাবে গ্রাফিক্যালি সেট-আপ করতে পারবেন।
একটি কথা মনে রাখবেন, যদি ওপেন অফিস ইনস্টল করা থাকে তবে নতুন ভার্সন ইনস্টলের পূর্বে তা আনইনস্টল করে ফেলতে হবে।
তার জন্য নিচের কমান্ড চালাতে পারেন।

[code]yum remove openoffice.org<<version>>[/code]

রবিবার, ২ মে, ২০১০

বাংলাদেশের প্রতিভাবান ক্রিকেটারেরা

বাংলাদেশের ক্রিকেটে প্রায়ই নানারকম প্রতিভার নাম শোনা যায়। এককালে শুনতাম জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার দুলু নাকি রিভার্স সুইপের মাস্টার। আল-শাহরিয়ার রোকনের প্রতিভা নিয়েও সাংবাদিক ভাইয়েরা দস্তার পর দস্তা কাগজ শেষ করেছেন। মেহরাব হোসেন অপিও ছিলেন মেধাবী ক্রিকেটার, ইনজুরি-বিয়ে তার ক্যারিয়ার অকালে শেষ করে দিল। সাইফুল্লাহ জেম নামী এক স্পিনার, উইকেট কিপার আতিয়ার এদের কথাও পত্রিকার পাতায় এসেছে। তবে আমি যতদূর দেখেছি, একজন দর্শক হিসেবে আমার লিস্টটা ছোট। হয়তো সবই টিভিতে দেখা, বা পত্রিকায় কিংবা রেডিওতে জাফরউল্লাহ শরাফতের ধারাবিবরনী শুনে বোঝা। ক্রিকেট একদম পিচ্চিকাল থেকে দেখতাম, ফুটবলটা আরো বেশী। তবে ক্রমেই বাংলাদেশের ফুটবলের পৃথিবীটা ছোট হয়ে গেছে, এখন জাতীয় দলে কে গেল কে আসলো তা নিয়ে মাথাব্যথা নেই।

যাই হোক আমার চোখে বাংলাদেশের ক্রিকেট গত দশ বছরে হাতেগোনা কয়েকজন প্রতিভাবান ক্রিকেটারের সন্ধান পেয়েছে। যাদেরকে সঠিক পরিচর্যা করলে বাংলাদেশের ম্যাচ উইনার বেশ কয়েকজন থাকত।

প্রথমেই বলব আশরাফুলের কথা। ছেলেটা সত্যিকারের মেধাবী অল-রাউন্ডার। তাকে আমরা প্রোপার গাইডেন্স দিতে পারিনি। তার লেগ-স্পিনটা ঘষা-মাজা করলে সেও সাকিবের মত আরেক অল-রাউন্ডার হতে পারত। প্রথমদিকে আশরাফুল কিন্তু বোলিং করত। তাকে তার মত খেলতে দিলে কি হতে পারে তার প্রমাণ বহুবার আমরা দেখেছি। গতকাল পাকিস্তানের সাথে টি-20 ম্যাচে 49 বলে করা 65 রান কিঞ্চিৎ হলেও তার প্রতিভার উদাহরন দেয়। আর কতকাল সে একটা ভাল ইনিংস খেলে শীতনিদ্রায় ডুব দেবে কে জানে। সে কিন্তু বাংলাদেশের ক্রিকেটের অন্যতম সেরা বিজ্ঞাপন। কালকে যারা কমেন্ট্রি শুনেছেন তারা বুঝেছেন।

এরপরে মাথায় এল অলক কাপালীর নাম। এই ছেলের নাম প্রিমিয়ার ক্রিকেটের স্কোর-কার্ডে দেখে মনে হত সে ইন্ডিয়ান হবে হয়তো। নাহলে এত ধারাবাহিক হয় কিভাবে! মহসিন কামালদের যুগে আকরাম-বুলবুলের বিকল্প হিসেবে দলে এসেছিল কাপালী। সে সময়ের কাপালীকে দেখে ভিভ রিচার্ডসও পছন্দ করেছিলেন। আফসোস আমরা কাপালীর প্রতিভাও কাজে লাগাতে পারলাম না। আইসিএলে গিয়ে নিষিদ্ধ হলো কাপালী, এতে ক্ষতিটা কার হলো ? বাংলাদেশের ক্রিকেটের নাকি বিসিসিআই'র ? এখনো সময় আছে, বাংলাদেশের প্রশ্নবিদ্ধ ভঙ্গুর মিডল-অর্ডারে কাপালীই হতে পারে যুৎসই উত্তর। তার ব্যাটিং যারা দেখেছেন, তারা নিশ্চয়ই আমার সাথে একমত হবেন। বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম হ্যাট্ট্রিক কার জানেন তো ? বোলারের নাম কিন্তু অলক কাপালী!

আফতাব আহমেদ, ছক্কা মারা সে আফতাব। আরেক জেনুইন হিটার। আইসিএল নামক ক্রিকেট-বাণিজ্যের ফাঁদে পড়ে আফতাবের ব্যাটিংও এখন জাদুঘরে রাখা কোন প্রাচীন বস্তুর মত হয়ে গেছে। এখনও মিস করি ওয়ান ডাউনে নেমে প্রতিপক্ষের বোলারদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দেওয়া সে আফতাবকে। কবে তাকে স্বরূপে পাব কে জানে!

তামিম ইকবাল, দিন দিন যার ব্যাট আস্থার প্রতীক হয়ে উঠছে। আগে সে লেগ সাইডে ভালো ছিলো না, এখন সে ত্রুটি অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছে। তাকে আরো শাণিত করলে সে হতে পারে আমাদের হেইডেন, শেওয়াগ।

সাকিব আল হাসান, এখন সে ভালো গুরুত্ব পাচ্ছে; আশা করি সামনেও সে ভালো সাপোর্ট পাবে সবার থেকে। বিসিবির কারো পায়ের কাছে নতজানু হবে না আশা করি।

মাশরাফি মর্তুজা, যে হতে পারত প্রকৃত অলরাউন্ডার। কিন্তু তাকে অতিরিক্ত ব্যবহার করে শরীরের উপর চাপ বাড়িয়ে ইনজুরিতে ফেলে ক্যারিয়ারের অনেক সময় নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। সে মনে হয় মানসিকভাবেও এখন চাঙ্গা নয়। বাংলাদেশের স্বার্থেই আগের সেই তেজী মাশরাফিকে দরকার।

মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, এই ছেলের হয়তো আফতাব-আশরাফুলের মত তেমন প্রতিভা নেই তবে আছে পরিস্থিতি বুঝে ব্যাট করার মানসিকতা। যেটা নেই আফতাব-আশরাফুলের। এই ছেলেকে হারিয়ে যেতে দেয়া যাবে না, দরকার সাপোর্ট। বাংলাদেশের ম্যাচ উইনার হবার অমিত সম্ভাবনা আছে এর মাঝে।

নাজিমউদ্দীন আরেক মারকুটে ব্যাটসম্যানের নাম। যার ফার্স্ট-ক্লাস রেকর্ড ভালো, কিন্তু সে কখনো টেস্টে সুযোগ পায়নি। পেয়েছে টি20, ওডিআইতে। আশা করি শীঘ্রই তাকে জাতীয় দলে দেখব।

আপাতত আর কারো নাম মাথায় আসছেনা। অনেকে হয়তো বলবেন জুনায়েদ, রকিবুল, মুশফিক, নাইম এরা কি প্রতিভাবান নয় ? আমি বলব, যাদের নাম বললাম এরা ঢের ভালো ওই ঠুকে খেলা জুনায়েদদের চেয়ে। অন্তত টি-20'র আসরে কাপালী-নাজিমুদ্দীনকে দেখলে ভালোই লাগত। তবে সামনে অনেক ক্রিকেট। এরা আবার জাতীয় দলে আসবে, প্রোপার সাপোর্ট পাবে এ আশাই করি।

শনিবার, ১ মে, ২০১০

উবুন্টুতে ইউনিজয় ব্যবহার

উবুন্টু বা লিনাক্স মিন্ট অনেকে শখের বশে ইনস্টল করে ফেলেছি, কিন্তু একটা সমস্যা দেখা দিয়েছে। বাংলা লিখব কিভাবে ? উবুন্টুতে ডিফল্ট দেয়া আছে প্রভাত লেআউট যা উইন্ডোজে নেই। তাই আমরা যারা উইন্ডোজ থেকে উবুন্টুতে এলাম তারা কিভাবে বাংলা লিখব ? মোস্তফা জব্বার সাহেবের বিজয় কিংবা ওমিক্রনল্যাবের অভ্রের সাথে দেয়া ইউনিজয় লেআউটে যারা অভ্যস্ত তারা কি করবেন ?

সমস্যা যখন আছে এর সমাধানও নিশ্চয় আছে । তো দেখি কি সমাধান দেয়া যায় ।

  • System > Administration > Synaptic Package Manager এ যান

  • Password দিন

  • Synaptic Package Manager এর সার্চ বক্সে m17n লিখে খুঁজুন

  • অনেকগুলো রেজাল্ট আসবে যার মধ্য থেকে m17n-db এবং scim-m17n প্যাকেজ দুটি সিলেক্ট করুন । ইনস্টলের জন্য একটি একটি করে উভয়ের উপর মাউস ক্লিক করে

    mark for install এ ক্লিক করুন। এবার Apply করে ইনস্টল শেষ হবার জন্য অপেক্ষা করুন।

  • System > Preference > SCIM Input Method Setup এ ক্লিক করুন।

  • নতুন উইন্ডো থেকে IMEngine > Global Setup সিলেক্ট করে Disable All এ ক্লিক করুন।

  • এবার Bengali > bn-unijoy সিলেক্ট করে Apply করুন ।

  • OK ক্লিক করে বেরিয়ে আসুন।

  • এবার Accessories > gedit ওপেন করে যেকোন স্থানে রাইট ক্লিক করে Input Method > SCIM Input Method সিলেক্ট করুন।

  • প্যানেলে কী-বোর্ডের আইকন দেখতে পাচ্ছেন তো ? ওখানে ক্লিক করে আপনি সিলেক্ট করতে পারবেন ইউনিজয়।


এ সবই উবুন্টু বা লিনাক্স মিন্টের পুরনো ভার্সনগুলোর জন্য প্রযোজ্য। নতুন যে উবুন্টু 10.04 এল তাতে কিন্তু আরো সহজে ইউনিজয় ব্যবহার করা যায়।

  • System > Preference > Ibus Preference এ যান ।

  • Input Method ট্যাবে যান এবং Select an input method এ ক্লিক করে Bengali > Unijoy ক্লিক করে Add বাটনে প্রেস করুন এবং Close চেপে বেরিয়ে আসুন।

  • প্যানেলে কী-বোর্ড আইকন চলে এসেছে। আপনি পছন্দমত শর্টকাট কী বেছে নিতে পারেন Ibus Preference এর General ট্যাব থেকে, show input method name on language bar এ টিক দিলে কোন লেআউটে লিখছেন তা স্ক্রীণের কোনায় ভেসে উঠবে।


আশা করি এখন ইউনিজয়ে লিখতে কোন সমস্যা হবে না। সহজ মনে হয় দ্বিতীয় পদ্ধতি, তাই আমার মতামত হল উবুন্টুর নতুন ভার্সন Lucid Lynx (Ubuntu 10.04) ব্যবহার করাই ভালো ।

উইন্ডোজে উবুন্টু

আমরা যারা উইন্ডোজ ব্যবহার করি তারা লিনাক্সের প্রতি আগ্রহ থাকার পরেও প্রয়োজনীয় ডাটা হারিয়ে যাবার ভয়ে লিনাক্স ইন্সটল করি না । তাদের জন্য আমার এ প্রয়াস, আশা করি আপনাদের কাজে লাগবে ।

আমরা উইন্ডোজের সাথে লিনাক্স ব্যবহার করব । এজন্য তেমন কোন কাজ করতে হবে না । শুধু ডাউনলোড করে নিন Wubi Installer সফটওয়্যারটি ।


ধরে নিলাম আপনি লিনাক্স উবুন্টু ৯.০৪ ISO ডাউনলোড করে রেখেছেন অথবা সিডি রাইট করে রেখেছেন ।


এখন আসল কাজ শুরু করা যাকঃ


• ISO ইমেজটি যে ফোল্ডারে আছে সে ফোল্ডারে wubi.exe ফাইলটি রাখুন । যদি ISO ইমেজ না থাকে তবে উবুন্টু সিডিটি ডিভিডি-রমে প্রবেশ করান ।

• Wubi রান করান । সেট করে দিন উবুন্টু ইন্সটলেশন ড্রাইভ, কতটুকু জায়গা উবুন্টু নেবে , একাউন্ট নেম, পাসোয়ার্ড প্রভৃতি ।



• Install এ ক্লিক করুন । কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন, নতুন উইন্ডো আসবে ; Restart দিন । আপনি যদি সিডি ইউজ করে থাকেন তাহলে Restart দেবার আগে সিডি বের করে ফেলুন ।

• Boot Screen থেকে Ubuntu সিলেক্ট করুন ।
• আপনার কাজ শেষ, এবার নিশ্চিন্ত মনে এক কাপ কফি খেয়ে আসতে পারেন । ততোক্ষণে হয়ে যাবে উবুন্টু সেট-আপ । উপভোগ করুন লিনাক্স উবুন্টু ৯.০৪ ।

এভাবে আপনি প্রবেশ করতে পারেন মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্সের জগতে ।


প্রয়োজনীয় লিঙ্কঃ
http://wubi-installer.org/

শেষ কবিতাখানা

শেষ কবিতাখানা


আল মাহমুদ


তোমার ঠোটঁ...


মরুসাহারার তৃষ্ণার্ত পথিকের মরিচীকার ফাকেঁ পাওয়া এক বিন্দু জল।


তোমার চুল...


স্বপ্নের মাঝে অদ্ভুত এলোমেলো লতানো গুল্ম।


তোমার দৃষ্টি...


খটখটে শুকনো মাটিতে এক পশলা তীক্ষ্ণ বৃষ্টিকণা কিংবা আগুনের ফুলকি।


তোমার ছোয়া...


শীতের সকালে পাওয়া সামান্য রোদের উষ্ণতা।


তোমার কোমর...


শনির বলয়ের মত ঘিরে রাখে আমার হাত ।


তোমার আহবান...


গভীর রাতে ভূতে পাওয়া মানুষের মত ছুটে যাই আমি।


তোমার চুমু...


অতৃপ্ত আত্নার পরমশান্তিময় সমাধি।


তোমার ঠোটঁ...


মরুসাহারার তৃষ্ণার্ত পথিকের মরিচীকার ফাকেঁ পাওয়া এক বিন্দু জল।


তোমার চুল...


স্বপ্নের মাঝে অদ্ভুত এলোমেলো লতানো গুল্ম।


তোমার দৃষ্টি...


খটখটে শুকনো মাটিতে এক পশলা তীক্ষ্ণ বৃষ্টিকণা কিংবা আগুনের ফুলকি।


তোমার ছোয়া...


শীতের সকালে পাওয়া সামান্য রোদের উষ্ণতা।


তোমার কোমর...


শনির বলয়ের মত ঘিরে রাখে আমার হাত ।


তোমার আহবান...


গভীর রাতে ভূতে পাওয়া মানুষের মত ছুটে যাই আমি।


তোমার চুমু...


অতৃপ্ত আত্নার পরমশান্তিময় সমাধি।

Like us on Facebook