বানশি একটি জনপ্রিয় মিডিয়া প্লেয়ার। সম্প্রতি রিলিজ হল নতুন স্ট্যাবল ভার্সন (1.8.0)। কিছু ফিচার যোগ হয়েছে যেমন- অ্যামাজন এমপিথ্রী স্টোর ও প্লাগইন, মিরো পডকাস্ট ডিরেক্টরী যা স্ট্রীমিং করতে সাহায্য করবে ইত্যাদি। অ্যাপল ডিভাইস আইফোন, আইপ্যাড, আইপড, আইটাচ প্রভৃতির সাপোর্ট, অডিওবুক ও আরো অনেক কিছু।
উবুন্টুতে ইনস্টল করার জন্য টার্মিনালে নিচের কমান্ডগুলো দিন।
[code]$ sudo add-apt-repository ppa:banshee-team/ppa
$ sudo apt-get update
$ sudo apt-get install banshee[/code]
এভাবে রিপো আপডেট করে নতুন ভার্সন ইনস্টল করতে পারবেন।
শনিবার, ২ অক্টোবর, ২০১০
উবুন্টুতে ইনস্টল করুন বানশির নতুন ভার্সন
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
এই সময়ে
১০:২৯ PM
1 মন্তব্য(গুলি)
এটি ইমেল করুন
এটি ব্লগ করুন!
X-এ শেয়ার করুন
Facebook-এ শেয়ার করুন
শুক্রবার, ১ অক্টোবর, ২০১০
পৃথিবীর মত গ্রহ
পৃথিবীতে মানুষ বাড়ছে, নি:শেষ হয়ে যাচ্ছে পৃথিবীর সম্পদ। যখন পৃথিবী নিজের সব কিছু মানুষের জন্য উজাড় করে দেবে তখন মানুষ কোথায় যাবে ? হয়তো এখন এমন ঘটবে না তবে ভবিষ্যতেও যে ঘটবে না তার নিশ্চয়তা নেই। বিজ্ঞানীরাও কিন্তু বসে নেই। তারা আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন কিছু করার জন্য, খুঁজছিলেন পৃথিবীর মত কোন গ্রহ। তাতে কিছুটা হলেও সফল। সৌরজগতের বাইরে পাওয়া গেছে একটি গ্রহের সন্ধান যা মাত্র ২০ আলোকবর্ষ দূরে। Gliese 581 নামক একটি তারাকে ঘিরে গ্রহটি আবর্তিত হচ্ছে যার আবহাওয়া না গরম না ঠান্ডা। এটাই বিজ্ঞানীদের আশাবাদী করে তুলেছে। গ্রহটির নাম দেয়া হয়েছে Gliese 581g।

গ্রহটির ব্যাসার্ধ ও ভর পৃথিবীর চেয়ে সামান্য বেশী। মধ্যাকর্ষণ বলও পৃথিবীর কাছাকাছি। তবে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে হলেও প্রাণ ধারন করা সম্ভব। মাত্র ৩৭ দিনে সেখানে বছর হয়, অর্থাৎ একবার সূর্যকে ঘুরে আসতে তার মাত্র ৩৭ দিন লাগে। তরল পানি, পাথুরে স্থলভাগ ও সমৃদ্ধ বায়ুমন্ডল গ্রহটিকে নিয়ে আগ্রহ বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে আহ্নিক গতি কম থাকার জন্য এর এক দিকে অন্ধকার ও অন্যদিকে আলো। এর মাঝামাঝি স্থানটি হতে পারে প্রাণের উপযুক্ত আবাস। বিজ্ঞানীরা এরকম আরো গ্রহ পাওয়ার আশা ছাড়ছেন না। এখন অপেক্ষা ছাড়া উপায় নেই, সে গ্রহে যেতে প্রায় ২০০ বছর লেগে যাবে যদি আলোর গতির এক দশমাংশ বেগ সম্পন্ন কোন নভোযানে করে যাওয়া যায়।
গ্রহটির ব্যাসার্ধ ও ভর পৃথিবীর চেয়ে সামান্য বেশী। মধ্যাকর্ষণ বলও পৃথিবীর কাছাকাছি। তবে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে হলেও প্রাণ ধারন করা সম্ভব। মাত্র ৩৭ দিনে সেখানে বছর হয়, অর্থাৎ একবার সূর্যকে ঘুরে আসতে তার মাত্র ৩৭ দিন লাগে। তরল পানি, পাথুরে স্থলভাগ ও সমৃদ্ধ বায়ুমন্ডল গ্রহটিকে নিয়ে আগ্রহ বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে আহ্নিক গতি কম থাকার জন্য এর এক দিকে অন্ধকার ও অন্যদিকে আলো। এর মাঝামাঝি স্থানটি হতে পারে প্রাণের উপযুক্ত আবাস। বিজ্ঞানীরা এরকম আরো গ্রহ পাওয়ার আশা ছাড়ছেন না। এখন অপেক্ষা ছাড়া উপায় নেই, সে গ্রহে যেতে প্রায় ২০০ বছর লেগে যাবে যদি আলোর গতির এক দশমাংশ বেগ সম্পন্ন কোন নভোযানে করে যাওয়া যায়।
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
এই সময়ে
৪:১৩ PM
0
মন্তব্য(গুলি)
এটি ইমেল করুন
এটি ব্লগ করুন!
X-এ শেয়ার করুন
Facebook-এ শেয়ার করুন
লেবেলসমূহ:
এলোমেলো ভাবনাগুলো
গিম্পে ছবি টুকরো টুকরো করা
আজকে গিম্প দিয়ে মজার একটা কাজ করব। সময়সাপেক্ষ কাজ, তবে ধৈর্য নিয়ে করতে পারলে দারুন আউটপুট পাব আমরা। যা করব তা হল একটা ছবিকে ছিঁড়ে ফেলব। ভাবছেন কি বকছি আবোল-তাবোল, তাহলে দেখুন। সত্যিই একটি ছবি দুই টুকরো করে ফেলব আজকে। এজন্য নিলাম ল্যুসিড লিংক্স-এর ছবি। হ্যাঁ, উবুন্টুর সেই ল্যুসিড লিংক্স।
প্রথমেই নিউ ফাইল নিন যা ব্যকগ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহার করব। এর আকৃতি যে ছবিটি নিয়ে কাজ করবেন তার চেয়ে বেশী হতে হবে। ব্যকগ্রাউন্ডকে একটু সাজানো যাক, আমি হলদে করে ফেললাম। এজন্য প্রথমে ফিল বাকেট টুল দিয়ে লেয়ারটি হলুদ করে Filter > Artistic > Apply Canvas এ ক্লিক করুন ব্যকগ্রাউন্ড লেয়ার সিলেক্টেড অবস্থায়। ডিফল্ট সেটিংস রাখুন।
আজকে গিম্প দিয়ে মজার একটা কাজ করব। সময়সাপেক্ষ কাজ, তবে ধৈর্য নিয়ে করতে পারলে দারুন আউটপুট পাব আমরা। যা করব তা হল একটা ছবিকে ছিঁড়ে ফেলব। ভাবছেন কি বকছি আবোল-তাবোল, তাহলে দেখুন। সত্যিই একটি ছবি দুই টুকরো করে ফেলব আজকে। এজন্য নিলাম ল্যুসিড লিংক্স-এর ছবি। হ্যাঁ, উবুন্টুর সেই ল্যুসিড লিংক্স।
প্রথমেই নিউ ফাইল নিন যা ব্যকগ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহার করব। এর আকৃতি যে ছবিটি নিয়ে কাজ করবেন তার চেয়ে বেশী হতে হবে। ব্যকগ্রাউন্ডকে একটু সাজানো যাক, আমি হলদে করে ফেললাম। এজন্য প্রথমে ফিল বাকেট টুল দিয়ে লেয়ারটি হলুদ করে Filter > Artistic > Apply Canvas এ ক্লিক করুন ব্যকগ্রাউন্ড লেয়ার সিলেক্টেড অবস্থায়। ডিফল্ট সেটিংস রাখুন।


নতুন একটি ছবি নিয়ে সেটি ব্যকগ্রাউন্ডে পেস্ট করুন, আমার ক্ষেত্রে ল্যুসিড লিংক্স। ছবির নাম দিন right, ও হ্যাঁ ফ্লোটিং লেয়ারে রাইট ক্লিক করে নিউ লেয়ার সিলেক্ট করলে নতুন লেয়ার তৈরী হবে।


এবার লেসো টুল নিয়ে মাঝ বরাবর কেটে ফেলুন, যেমনটি আমি করলাম।


এবার Select > Distort এ ক্লিক করে OK করুন। ডিফল্ট সেটআপ রাখুন।

Ctrl + I চেপে ইনভার্ট সিলেকশান করুন। এবার Edit > Copy এবং Edit > Paste এ ক্লিক করুন। দেখবেন নতুন ফ্লোটিং লেয়ার দেখা যাচ্ছে। সেটিতে রাইট ক্লিক করে নিউ লেয়ার হিসেবে নিন এবং নাম দিন left ।
এখন আমাদের তিনটি লেয়ার, background , right & left।

প্রথম লেয়ার (left) টি ডিজেবল করে দিন চোখের আইকনে ক্লিক করুন।

লেয়ারটিতে রাইট ক্লিক করে Alpha to Selection সিলেক্ট করুন। এবার right লেয়ারটি সিলেক্ট করুন।
বাকেট টুল ব্যবহার করে সিলেক্টেড রিজিওন সাদা করে দিন।

লেসো টুল নিন এবং মাঝ বরাবর ছবির মত কেটে নিন।

আবার Select > Distort এ ক্লিক করে OK করুন। এরপর Select > Grow এ ক্লিক করে 4 দিন।

কী-বোর্ডের Del বাটন চেপে সাদা অংশটি মুছে ফেলুন। Select > None চাপুন এবং left লেয়ারটি এনাবল করুন । রাইট ক্লিক করে Alpha to Selection করুন এবং Ctrl + I চেপে ইনভার্ট সিলেকশান করুন। আবার বাকেট টুল নিন এবং সিলেক্টেড রিজিওন সাদা করে দিন। আগের মতোই লেসো টুল নিয়ে মাঝ বরাবর সিলেক্ট করে Select > Distort এ ক্লিক করে OK দিতে হবে।

Select > Grow এ 7 দিয়ে OK করুন। আবার Del চেপে সাদা অংশ ফেলে দিন। দেখুন ছবিটি কেমন দেখাচ্ছে।

এবার যেকোন লেয়ার সিলেক্ট করে রোটেট করতে পারেন রোটেট টুল ব্যবহার করে।

দুটো লেয়ারই রোটেট করা হয়ে গেলে left লেয়ারটি সিলেক্ট করে রাইট ক্লিক করে মার্জ করে নিন নিচের লেয়ারের সাথে।
তারপর আরেকটু অলঙ্করনের জন্য Filters > Light and Shadow > Drop Shadow এ ক্লিক করে OK করে দিন।

দেখুন শেষ পর্যন্ত কি হলো।

এভাবে আপনি যেকোন ছবিকে এরকম দুই টুকরো করে ফেলতে পারেন। তো আর কি, শুরু করে দিন !
প্রথমেই নিউ ফাইল নিন যা ব্যকগ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহার করব। এর আকৃতি যে ছবিটি নিয়ে কাজ করবেন তার চেয়ে বেশী হতে হবে। ব্যকগ্রাউন্ডকে একটু সাজানো যাক, আমি হলদে করে ফেললাম। এজন্য প্রথমে ফিল বাকেট টুল দিয়ে লেয়ারটি হলুদ করে Filter > Artistic > Apply Canvas এ ক্লিক করুন ব্যকগ্রাউন্ড লেয়ার সিলেক্টেড অবস্থায়। ডিফল্ট সেটিংস রাখুন।
আজকে গিম্প দিয়ে মজার একটা কাজ করব। সময়সাপেক্ষ কাজ, তবে ধৈর্য নিয়ে করতে পারলে দারুন আউটপুট পাব আমরা। যা করব তা হল একটা ছবিকে ছিঁড়ে ফেলব। ভাবছেন কি বকছি আবোল-তাবোল, তাহলে দেখুন। সত্যিই একটি ছবি দুই টুকরো করে ফেলব আজকে। এজন্য নিলাম ল্যুসিড লিংক্স-এর ছবি। হ্যাঁ, উবুন্টুর সেই ল্যুসিড লিংক্স।
প্রথমেই নিউ ফাইল নিন যা ব্যকগ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহার করব। এর আকৃতি যে ছবিটি নিয়ে কাজ করবেন তার চেয়ে বেশী হতে হবে। ব্যকগ্রাউন্ডকে একটু সাজানো যাক, আমি হলদে করে ফেললাম। এজন্য প্রথমে ফিল বাকেট টুল দিয়ে লেয়ারটি হলুদ করে Filter > Artistic > Apply Canvas এ ক্লিক করুন ব্যকগ্রাউন্ড লেয়ার সিলেক্টেড অবস্থায়। ডিফল্ট সেটিংস রাখুন।
নতুন একটি ছবি নিয়ে সেটি ব্যকগ্রাউন্ডে পেস্ট করুন, আমার ক্ষেত্রে ল্যুসিড লিংক্স। ছবির নাম দিন right, ও হ্যাঁ ফ্লোটিং লেয়ারে রাইট ক্লিক করে নিউ লেয়ার সিলেক্ট করলে নতুন লেয়ার তৈরী হবে।
এবার লেসো টুল নিয়ে মাঝ বরাবর কেটে ফেলুন, যেমনটি আমি করলাম।
এবার Select > Distort এ ক্লিক করে OK করুন। ডিফল্ট সেটআপ রাখুন।
Ctrl + I চেপে ইনভার্ট সিলেকশান করুন। এবার Edit > Copy এবং Edit > Paste এ ক্লিক করুন। দেখবেন নতুন ফ্লোটিং লেয়ার দেখা যাচ্ছে। সেটিতে রাইট ক্লিক করে নিউ লেয়ার হিসেবে নিন এবং নাম দিন left ।
এখন আমাদের তিনটি লেয়ার, background , right & left।
প্রথম লেয়ার (left) টি ডিজেবল করে দিন চোখের আইকনে ক্লিক করুন।
লেয়ারটিতে রাইট ক্লিক করে Alpha to Selection সিলেক্ট করুন। এবার right লেয়ারটি সিলেক্ট করুন।
বাকেট টুল ব্যবহার করে সিলেক্টেড রিজিওন সাদা করে দিন।
লেসো টুল নিন এবং মাঝ বরাবর ছবির মত কেটে নিন।
আবার Select > Distort এ ক্লিক করে OK করুন। এরপর Select > Grow এ ক্লিক করে 4 দিন।
কী-বোর্ডের Del বাটন চেপে সাদা অংশটি মুছে ফেলুন। Select > None চাপুন এবং left লেয়ারটি এনাবল করুন । রাইট ক্লিক করে Alpha to Selection করুন এবং Ctrl + I চেপে ইনভার্ট সিলেকশান করুন। আবার বাকেট টুল নিন এবং সিলেক্টেড রিজিওন সাদা করে দিন। আগের মতোই লেসো টুল নিয়ে মাঝ বরাবর সিলেক্ট করে Select > Distort এ ক্লিক করে OK দিতে হবে।
Select > Grow এ 7 দিয়ে OK করুন। আবার Del চেপে সাদা অংশ ফেলে দিন। দেখুন ছবিটি কেমন দেখাচ্ছে।
এবার যেকোন লেয়ার সিলেক্ট করে রোটেট করতে পারেন রোটেট টুল ব্যবহার করে।
দুটো লেয়ারই রোটেট করা হয়ে গেলে left লেয়ারটি সিলেক্ট করে রাইট ক্লিক করে মার্জ করে নিন নিচের লেয়ারের সাথে।
তারপর আরেকটু অলঙ্করনের জন্য Filters > Light and Shadow > Drop Shadow এ ক্লিক করে OK করে দিন।
দেখুন শেষ পর্যন্ত কি হলো।
এভাবে আপনি যেকোন ছবিকে এরকম দুই টুকরো করে ফেলতে পারেন। তো আর কি, শুরু করে দিন !
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
এই সময়ে
২:২৪ AM
1 মন্তব্য(গুলি)
এটি ইমেল করুন
এটি ব্লগ করুন!
X-এ শেয়ার করুন
Facebook-এ শেয়ার করুন
লেবেলসমূহ:
গিম্প
বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১০
ফেডোরাতে ওপেনঅফিস আপডেট ভার্সন ইনস্টলেশন
ফেডোরা অনেক লিনাক্স ব্যবহারকারীর পছন্দের ডিস্ট্রো। ফেডোরার কেডিই ভার্সনে সাধারনত ওপেন অফিস দেয়া থাকে না। যারা ওপেন অফিসে অভ্যস্থ তাদের জন্য বিষয়টা অস্বস্তিকর হয়ে পড়ে। তাই আজ দেখব কি করে ওপেন অফিসের নতুন ভার্সন ইনস্টল করা যায়।
প্রথমে কনসোল খুলে নিন এবং নিচের কমান্ড দিন।
32- বিট ডিস্ট্রোর জন্য
[code]wget http://download.services.openoffice.org/files/stable/3.2.1/OOo_3.2.1_Linux_x86_install-rpm-wJRE_en-US.tar.gz[/code]
64-বিট ডিস্ট্রোর জন্য
[code]wget http://download.services.openoffice.org/files/stable/3.2.1/OOo_3.2.1_Linux_x86-64_install-rpm-wJRE_en-US.tar.gz[/code]
ডাউনলোড হয়ে গেলে রুট ইউজার হিসেবে লগ-ইন করুন।
[code]su -[/code]
এবার ডাউনলোডকৃত ফাইলটি এক্সট্রাক্ট করুন। হোম ফোল্ডারে সেটি পাবেন। রাইট ক্লিক করে এক্সট্রাক্ট করতে পারেন অথবা কনসোলে কমান্ড দিন।
[code]tar -xvf OOo_3.2.1_Linux_x86_install-rpm-wJRE_en-US.tar.gz[/code]
64-বিটের জন্য কমান্ডটি হবে নিম্নরূপ।
[code]tar -xvf OOo_3.2.1_Linux_x86-64_install-rpm-wJRE_en-US.tar.gz[/code]
এবার এক্সট্রাক্টকৃত ফোল্ডারে যান নিচের কমান্ড দিয়ে।
[code]cd OOO320_m18_native_packed-1_en-US.9502[/code]
এবার নিচের কমান্ড চালিয়ে গ্রাফিক্যাল সেটআপ শুরু করুন।
[code]./setup[/code]
ওপেন অফিস এভাবে গ্রাফিক্যালি সেট-আপ করতে পারবেন।
একটি কথা মনে রাখবেন, যদি ওপেন অফিস ইনস্টল করা থাকে তবে নতুন ভার্সন ইনস্টলের পূর্বে তা আনইনস্টল করে ফেলতে হবে।
তার জন্য নিচের কমান্ড চালাতে পারেন।
[code]yum remove openoffice.org<<version>>[/code]
ফেডোরা অনেক লিনাক্স ব্যবহারকারীর পছন্দের ডিস্ট্রো। ফেডোরার কেডিই ভার্সনে সাধারনত ওপেন অফিস দেয়া থাকে না। যারা ওপেন অফিসে অভ্যস্থ তাদের জন্য বিষয়টা অস্বস্তিকর হয়ে পড়ে। তাই আজ দেখব কি করে ওপেন অফিসের নতুন ভার্সন ইনস্টল করা যায়।
প্রথমে কনসোল খুলে নিন এবং নিচের কমান্ড দিন।
32- বিট ডিস্ট্রোর জন্য
[code]wget http://download.services.openoffice.org/files/stable/3.2.1/OOo_3.2.1_Linux_x86_install-rpm-wJRE_en-US.tar.gz[/code]
64-বিট ডিস্ট্রোর জন্য
[code]wget http://download.services.openoffice.org/files/stable/3.2.1/OOo_3.2.1_Linux_x86-64_install-rpm-wJRE_en-US.tar.gz[/code]
ডাউনলোড হয়ে গেলে রুট ইউজার হিসেবে লগ-ইন করুন।
[code]su -[/code]
এবার ডাউনলোডকৃত ফাইলটি এক্সট্রাক্ট করুন। হোম ফোল্ডারে সেটি পাবেন। রাইট ক্লিক করে এক্সট্রাক্ট করতে পারেন অথবা কনসোলে কমান্ড দিন।
[code]tar -xvf OOo_3.2.1_Linux_x86_install-rpm-wJRE_en-US.tar.gz[/code]
64-বিটের জন্য কমান্ডটি হবে নিম্নরূপ।
[code]tar -xvf OOo_3.2.1_Linux_x86-64_install-rpm-wJRE_en-US.tar.gz[/code]
এবার এক্সট্রাক্টকৃত ফোল্ডারে যান নিচের কমান্ড দিয়ে।
[code]cd OOO320_m18_native_packed-1_en-US.9502[/code]
এবার নিচের কমান্ড চালিয়ে গ্রাফিক্যাল সেটআপ শুরু করুন।
[code]./setup[/code]
ওপেন অফিস এভাবে গ্রাফিক্যালি সেট-আপ করতে পারবেন।
একটি কথা মনে রাখবেন, যদি ওপেন অফিস ইনস্টল করা থাকে তবে নতুন ভার্সন ইনস্টলের পূর্বে তা আনইনস্টল করে ফেলতে হবে।
তার জন্য নিচের কমান্ড চালাতে পারেন।
[code]yum remove openoffice.org<<version>>[/code]
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
এই সময়ে
৫:৫২ PM
0
মন্তব্য(গুলি)
এটি ইমেল করুন
এটি ব্লগ করুন!
X-এ শেয়ার করুন
Facebook-এ শেয়ার করুন
রবিবার, ২ মে, ২০১০
বাংলাদেশের প্রতিভাবান ক্রিকেটারেরা
বাংলাদেশের ক্রিকেটে প্রায়ই নানারকম প্রতিভার নাম শোনা যায়। এককালে শুনতাম জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার দুলু নাকি রিভার্স সুইপের মাস্টার। আল-শাহরিয়ার রোকনের প্রতিভা নিয়েও সাংবাদিক ভাইয়েরা দস্তার পর দস্তা কাগজ শেষ করেছেন। মেহরাব হোসেন অপিও ছিলেন মেধাবী ক্রিকেটার, ইনজুরি-বিয়ে তার ক্যারিয়ার অকালে শেষ করে দিল। সাইফুল্লাহ জেম নামী এক স্পিনার, উইকেট কিপার আতিয়ার এদের কথাও পত্রিকার পাতায় এসেছে। তবে আমি যতদূর দেখেছি, একজন দর্শক হিসেবে আমার লিস্টটা ছোট। হয়তো সবই টিভিতে দেখা, বা পত্রিকায় কিংবা রেডিওতে জাফরউল্লাহ শরাফতের ধারাবিবরনী শুনে বোঝা। ক্রিকেট একদম পিচ্চিকাল থেকে দেখতাম, ফুটবলটা আরো বেশী। তবে ক্রমেই বাংলাদেশের ফুটবলের পৃথিবীটা ছোট হয়ে গেছে, এখন জাতীয় দলে কে গেল কে আসলো তা নিয়ে মাথাব্যথা নেই।
যাই হোক আমার চোখে বাংলাদেশের ক্রিকেট গত দশ বছরে হাতেগোনা কয়েকজন প্রতিভাবান ক্রিকেটারের সন্ধান পেয়েছে। যাদেরকে সঠিক পরিচর্যা করলে বাংলাদেশের ম্যাচ উইনার বেশ কয়েকজন থাকত।
প্রথমেই বলব আশরাফুলের কথা। ছেলেটা সত্যিকারের মেধাবী অল-রাউন্ডার। তাকে আমরা প্রোপার গাইডেন্স দিতে পারিনি। তার লেগ-স্পিনটা ঘষা-মাজা করলে সেও সাকিবের মত আরেক অল-রাউন্ডার হতে পারত। প্রথমদিকে আশরাফুল কিন্তু বোলিং করত। তাকে তার মত খেলতে দিলে কি হতে পারে তার প্রমাণ বহুবার আমরা দেখেছি। গতকাল পাকিস্তানের সাথে টি-20 ম্যাচে 49 বলে করা 65 রান কিঞ্চিৎ হলেও তার প্রতিভার উদাহরন দেয়। আর কতকাল সে একটা ভাল ইনিংস খেলে শীতনিদ্রায় ডুব দেবে কে জানে। সে কিন্তু বাংলাদেশের ক্রিকেটের অন্যতম সেরা বিজ্ঞাপন। কালকে যারা কমেন্ট্রি শুনেছেন তারা বুঝেছেন।
এরপরে মাথায় এল অলক কাপালীর নাম। এই ছেলের নাম প্রিমিয়ার ক্রিকেটের স্কোর-কার্ডে দেখে মনে হত সে ইন্ডিয়ান হবে হয়তো। নাহলে এত ধারাবাহিক হয় কিভাবে! মহসিন কামালদের যুগে আকরাম-বুলবুলের বিকল্প হিসেবে দলে এসেছিল কাপালী। সে সময়ের কাপালীকে দেখে ভিভ রিচার্ডসও পছন্দ করেছিলেন। আফসোস আমরা কাপালীর প্রতিভাও কাজে লাগাতে পারলাম না। আইসিএলে গিয়ে নিষিদ্ধ হলো কাপালী, এতে ক্ষতিটা কার হলো ? বাংলাদেশের ক্রিকেটের নাকি বিসিসিআই'র ? এখনো সময় আছে, বাংলাদেশের প্রশ্নবিদ্ধ ভঙ্গুর মিডল-অর্ডারে কাপালীই হতে পারে যুৎসই উত্তর। তার ব্যাটিং যারা দেখেছেন, তারা নিশ্চয়ই আমার সাথে একমত হবেন। বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম হ্যাট্ট্রিক কার জানেন তো ? বোলারের নাম কিন্তু অলক কাপালী!
আফতাব আহমেদ, ছক্কা মারা সে আফতাব। আরেক জেনুইন হিটার। আইসিএল নামক ক্রিকেট-বাণিজ্যের ফাঁদে পড়ে আফতাবের ব্যাটিংও এখন জাদুঘরে রাখা কোন প্রাচীন বস্তুর মত হয়ে গেছে। এখনও মিস করি ওয়ান ডাউনে নেমে প্রতিপক্ষের বোলারদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দেওয়া সে আফতাবকে। কবে তাকে স্বরূপে পাব কে জানে!
তামিম ইকবাল, দিন দিন যার ব্যাট আস্থার প্রতীক হয়ে উঠছে। আগে সে লেগ সাইডে ভালো ছিলো না, এখন সে ত্রুটি অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছে। তাকে আরো শাণিত করলে সে হতে পারে আমাদের হেইডেন, শেওয়াগ।
সাকিব আল হাসান, এখন সে ভালো গুরুত্ব পাচ্ছে; আশা করি সামনেও সে ভালো সাপোর্ট পাবে সবার থেকে। বিসিবির কারো পায়ের কাছে নতজানু হবে না আশা করি।
মাশরাফি মর্তুজা, যে হতে পারত প্রকৃত অলরাউন্ডার। কিন্তু তাকে অতিরিক্ত ব্যবহার করে শরীরের উপর চাপ বাড়িয়ে ইনজুরিতে ফেলে ক্যারিয়ারের অনেক সময় নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। সে মনে হয় মানসিকভাবেও এখন চাঙ্গা নয়। বাংলাদেশের স্বার্থেই আগের সেই তেজী মাশরাফিকে দরকার।
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, এই ছেলের হয়তো আফতাব-আশরাফুলের মত তেমন প্রতিভা নেই তবে আছে পরিস্থিতি বুঝে ব্যাট করার মানসিকতা। যেটা নেই আফতাব-আশরাফুলের। এই ছেলেকে হারিয়ে যেতে দেয়া যাবে না, দরকার সাপোর্ট। বাংলাদেশের ম্যাচ উইনার হবার অমিত সম্ভাবনা আছে এর মাঝে।
নাজিমউদ্দীন আরেক মারকুটে ব্যাটসম্যানের নাম। যার ফার্স্ট-ক্লাস রেকর্ড ভালো, কিন্তু সে কখনো টেস্টে সুযোগ পায়নি। পেয়েছে টি20, ওডিআইতে। আশা করি শীঘ্রই তাকে জাতীয় দলে দেখব।
আপাতত আর কারো নাম মাথায় আসছেনা। অনেকে হয়তো বলবেন জুনায়েদ, রকিবুল, মুশফিক, নাইম এরা কি প্রতিভাবান নয় ? আমি বলব, যাদের নাম বললাম এরা ঢের ভালো ওই ঠুকে খেলা জুনায়েদদের চেয়ে। অন্তত টি-20'র আসরে কাপালী-নাজিমুদ্দীনকে দেখলে ভালোই লাগত। তবে সামনে অনেক ক্রিকেট। এরা আবার জাতীয় দলে আসবে, প্রোপার সাপোর্ট পাবে এ আশাই করি।
যাই হোক আমার চোখে বাংলাদেশের ক্রিকেট গত দশ বছরে হাতেগোনা কয়েকজন প্রতিভাবান ক্রিকেটারের সন্ধান পেয়েছে। যাদেরকে সঠিক পরিচর্যা করলে বাংলাদেশের ম্যাচ উইনার বেশ কয়েকজন থাকত।
প্রথমেই বলব আশরাফুলের কথা। ছেলেটা সত্যিকারের মেধাবী অল-রাউন্ডার। তাকে আমরা প্রোপার গাইডেন্স দিতে পারিনি। তার লেগ-স্পিনটা ঘষা-মাজা করলে সেও সাকিবের মত আরেক অল-রাউন্ডার হতে পারত। প্রথমদিকে আশরাফুল কিন্তু বোলিং করত। তাকে তার মত খেলতে দিলে কি হতে পারে তার প্রমাণ বহুবার আমরা দেখেছি। গতকাল পাকিস্তানের সাথে টি-20 ম্যাচে 49 বলে করা 65 রান কিঞ্চিৎ হলেও তার প্রতিভার উদাহরন দেয়। আর কতকাল সে একটা ভাল ইনিংস খেলে শীতনিদ্রায় ডুব দেবে কে জানে। সে কিন্তু বাংলাদেশের ক্রিকেটের অন্যতম সেরা বিজ্ঞাপন। কালকে যারা কমেন্ট্রি শুনেছেন তারা বুঝেছেন।
এরপরে মাথায় এল অলক কাপালীর নাম। এই ছেলের নাম প্রিমিয়ার ক্রিকেটের স্কোর-কার্ডে দেখে মনে হত সে ইন্ডিয়ান হবে হয়তো। নাহলে এত ধারাবাহিক হয় কিভাবে! মহসিন কামালদের যুগে আকরাম-বুলবুলের বিকল্প হিসেবে দলে এসেছিল কাপালী। সে সময়ের কাপালীকে দেখে ভিভ রিচার্ডসও পছন্দ করেছিলেন। আফসোস আমরা কাপালীর প্রতিভাও কাজে লাগাতে পারলাম না। আইসিএলে গিয়ে নিষিদ্ধ হলো কাপালী, এতে ক্ষতিটা কার হলো ? বাংলাদেশের ক্রিকেটের নাকি বিসিসিআই'র ? এখনো সময় আছে, বাংলাদেশের প্রশ্নবিদ্ধ ভঙ্গুর মিডল-অর্ডারে কাপালীই হতে পারে যুৎসই উত্তর। তার ব্যাটিং যারা দেখেছেন, তারা নিশ্চয়ই আমার সাথে একমত হবেন। বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম হ্যাট্ট্রিক কার জানেন তো ? বোলারের নাম কিন্তু অলক কাপালী!
আফতাব আহমেদ, ছক্কা মারা সে আফতাব। আরেক জেনুইন হিটার। আইসিএল নামক ক্রিকেট-বাণিজ্যের ফাঁদে পড়ে আফতাবের ব্যাটিংও এখন জাদুঘরে রাখা কোন প্রাচীন বস্তুর মত হয়ে গেছে। এখনও মিস করি ওয়ান ডাউনে নেমে প্রতিপক্ষের বোলারদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দেওয়া সে আফতাবকে। কবে তাকে স্বরূপে পাব কে জানে!
তামিম ইকবাল, দিন দিন যার ব্যাট আস্থার প্রতীক হয়ে উঠছে। আগে সে লেগ সাইডে ভালো ছিলো না, এখন সে ত্রুটি অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছে। তাকে আরো শাণিত করলে সে হতে পারে আমাদের হেইডেন, শেওয়াগ।
সাকিব আল হাসান, এখন সে ভালো গুরুত্ব পাচ্ছে; আশা করি সামনেও সে ভালো সাপোর্ট পাবে সবার থেকে। বিসিবির কারো পায়ের কাছে নতজানু হবে না আশা করি।
মাশরাফি মর্তুজা, যে হতে পারত প্রকৃত অলরাউন্ডার। কিন্তু তাকে অতিরিক্ত ব্যবহার করে শরীরের উপর চাপ বাড়িয়ে ইনজুরিতে ফেলে ক্যারিয়ারের অনেক সময় নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। সে মনে হয় মানসিকভাবেও এখন চাঙ্গা নয়। বাংলাদেশের স্বার্থেই আগের সেই তেজী মাশরাফিকে দরকার।
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, এই ছেলের হয়তো আফতাব-আশরাফুলের মত তেমন প্রতিভা নেই তবে আছে পরিস্থিতি বুঝে ব্যাট করার মানসিকতা। যেটা নেই আফতাব-আশরাফুলের। এই ছেলেকে হারিয়ে যেতে দেয়া যাবে না, দরকার সাপোর্ট। বাংলাদেশের ম্যাচ উইনার হবার অমিত সম্ভাবনা আছে এর মাঝে।
নাজিমউদ্দীন আরেক মারকুটে ব্যাটসম্যানের নাম। যার ফার্স্ট-ক্লাস রেকর্ড ভালো, কিন্তু সে কখনো টেস্টে সুযোগ পায়নি। পেয়েছে টি20, ওডিআইতে। আশা করি শীঘ্রই তাকে জাতীয় দলে দেখব।
আপাতত আর কারো নাম মাথায় আসছেনা। অনেকে হয়তো বলবেন জুনায়েদ, রকিবুল, মুশফিক, নাইম এরা কি প্রতিভাবান নয় ? আমি বলব, যাদের নাম বললাম এরা ঢের ভালো ওই ঠুকে খেলা জুনায়েদদের চেয়ে। অন্তত টি-20'র আসরে কাপালী-নাজিমুদ্দীনকে দেখলে ভালোই লাগত। তবে সামনে অনেক ক্রিকেট। এরা আবার জাতীয় দলে আসবে, প্রোপার সাপোর্ট পাবে এ আশাই করি।
এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
এই সময়ে
১০:১১ AM
0
মন্তব্য(গুলি)
এটি ইমেল করুন
এটি ব্লগ করুন!
X-এ শেয়ার করুন
Facebook-এ শেয়ার করুন
লেবেলসমূহ:
এলোমেলো ভাবনাগুলো
