Ads 468x60px

বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৩

ওপেনসুয্যে ১৩.১ ইনস্টলের পর প্রয়োজনীয় ৩টি কাজ

একটা সময়ে নতুন লিনাক্স ডিস্ট্রো এলে আইএসও নামিয়ে ইনস্টল দিয়ে ফেলতাম। বাগ ভাল্লুক আছে কি নেই ওসব ভাবতাম না। এখন দিন বদলেছে। সহজে আইএসও নামানো হয় না। এক মাস, দুই মাস পর নামিয়ে দেখি কেমন হলো। দীর্ঘদিন ডেস্কটপ-ল্যাপটপের জায়গা দখলে রাখা ওপেনসুয্যের জন্যও তাই হলো। নতুন ভার্সন বোতলকে নামালাম সময় নিয়ে। ইনস্টল করলাম উবুন্টু মুছে। ডেস্কটপে ইনস্টল করেছি। ইনস্টল করলেই তো আর হয় না। লিস্ট ধরে কিছু যোজন-বিয়োজন করা লাগে। কি কি করেছি তার তালিকা দেয়াটা গুরুত্বপূর্ণ মনে করছি। আমার দেখাদেখি আরেকজন ওপেনসুয্যো ইউসার বাড়লে মন্দ কি। 

ক) আপডেট ও রিপোজিটরি যুক্ত করা
ইনস্টল করার পর পয়লা কাজ হলো আপডেট করা। সেজন্য টার্মিনালে ছোট্ট কটা লাইন লিখলেই চলে।
# zypper addrepo -f http://ftp.gwdg.de/pub/linux/packman/suse/13.1/ packman && zypper addrepo -f http://opensuse-guide.org/repo/13.1/ dvd && zypper ref && zypper update

উপরের কমান্ডে আপডেটের পাশাপাশি কিছু রিপোজিটরি যুক্ত করা হয়েছে। ভালো কথা এসব করার আগে su লিখে পাসওয়ার্ড দিয়ে রুটে যেতে হবে। তারপর কমান্ডগুলো দিলে সিস্টেম আপডেট হবে এবং প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইনস্টলেশানের জন্য প্রস্তুত হবে। নেট স্পিড আশানুরূপ না হলে সময় লাগবে। আবার আপডেট না করেও উপায় নেই, তাই মেনে নিন।

খ) মাল্টিমিডিয়ার জন্য প্রস্তুত করা
এবার মাল্টিমিডিয়ার জন্য তৈরী হোন। যথারীতি কনসোল বা টার্মিনাল খুলে নিচের কমান্ডগুলো কপি-পেস্ট করে দিন।
# zypper install libxine2-codecs k3b-codecs ffmpeg lame gstreamer-0_10-plugins-bad gstreamer-0_10-plugins-ugly gstreamer-0_10-plugins-ugly-orig-addon gstreamer-0_10-plugins-ffmpeg libdvdcss2 && zypper install flash-player && zypper install icedtea-web && zypper install xine-browser-plugin

গ) অন্যান্য সফটওয়্যার ইনস্টলেশন
আশা করা যায় যেসব সফটওয়্যার দেয়া আছে তা দিয়েই আপনার চলে যাবে যদি ডিভিডি হতে ইনস্টল করে থাকেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে কিছু সফটওয়্যার ইনস্টল করেছি। সেগুলো আপনারা করতে পারেন।
১। ভিএলসি মিডিয়া প্লেয়ার: ভিডিও দেখার জন্য এই সফটওয়্যারের জুড়ি মেলা ভার। আমি এটা দিয়েই সব ভিডিও দেখি।
২। ডেডবিফ অডিও প্লেয়ার: সিম্পল অডিও প্লেয়ার। গান শুনতে হলে এটাই আমার পছন্দ।
৩। শাটার: স্ক্রীনশট নেয়ার জন্য শাটারের বিকল্প দেখি না। তবে কেস্ন্যাপশট দিয়েও কাজ চলবে।
৪। ক্রোমিয়াম ব্রাউজার: গুগল ক্রোম নয়, ক্রোমিয়াম ইনস্টল করতে পছন্দ করি। ফায়ারফক্সের পাশাপাশি ওটাও মাঝে মাঝে চালানো হয়।
৫। ডেলুগ্য: টরেন্ট ফাইল নামানোর জন্য কেটরেন্ট দারুন, তবে আমি ডেলুগ্যে প্রেফার করি, মিউটরেন্টের ভাব দেখা যায়।
৬। স্কাইপ: ভিডিও কলের জন্য স্কাইপ দূর্দান্ত এপ্লিকেশান। এটাও ইনস্টল করে নেয়া যায়।
৭। ড্রপবক্স: ড্রপবক্স ছাড়া আমি অচল। ইনস্টল করে নিতে হয় চোখ বুঁজে।
৮। গিম্প ও ইঙ্কস্পেস: ছবি এডিটের জন্য বা ভেক্টর ইমেজ ড্র করার জন্য এই দুটো সফটওয়্যার লাগবেই।

উপরোল্লেখিত কাজগুলো অনুসরন করলে ওপেনসুয্যে নতুন ভ্রমনের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে। আমি ধরে নিচ্ছি প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইনস্টল করার দক্ষতা আপনার আছে। তাই পুরো প্রণালী বর্ণনা করলাম না। ইয়াস্টে গিয়ে সফটওয়্যার নাম দিয়ে খুঁজলে পেয়ে যাবেন। তবে টার্মিনালেও ইনস্টল করা যায়। ওটা নাহয় অন্য একদিন বলবো।

বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৩

ওপেনসুয্যেতে ফন্ট ঝকঝকে করার উপায়


ওপেনসুয্যে একটি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম। উবুন্টু, লিনাক্স মিন্ট, ফেডোরার পাশাপাশি এটাও অনেকের প্রিয় ওএসের তালিকায় রয়েছে। ওপেনসুয্যে ইনস্টল করার পর ফন্ট নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। যদিও নতুন এডিশানে বাই ডিফল্ট বাংলা সাপোর্ট রয়েছে তবুও কেমন যেন সাদামাটা দেখায় ফন্টগুলোকে। ফন্ট সুন্দর দেখানোর জন্য কিছু টুইক করতে হবে। আসুন দেখা যাক কিভাবে ফন্টের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা যায়।

কিকঅফ এপ্লিকেশন লঞ্চারের সার্চ বারে Fonts লিখে সার্চ দিন। প্রথমেই যে রেজাল্ট আসবে (Fonts) তাতে ক্লিক করলে নতুন উইন্ডো খুলবে।

এন্টি এলিয়াসিং এনাবল করুন এবং কনফিগারে ক্লিক করুন।

ইউএসবি সাবপিক্সেল রেন্ডারিং এ টিক চিহ্ন দিন এবং হিন্টিং স্টাইল ফুল বা মিডিয়াম দিন। তারপর ওকে চেপে এপ্লাই বাটনে ক্লিক করুন। কিছু এপ্লিকেশানে রিস্টার্ট ছাড়া কাজ করবেনা সেটা জানানো হবে। ওকে চেপে উইন্ডোগুলো বন্ধ করুন। অত:পর লগ-আউট করে লগ-ইন করলেই পার্থক্য বুঝতে পারবেন।

মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৩

প্রলয়: বাংলা মুভি রিভিউ


বাংলা ছবি তেমন দেখা হয় না। ফাঁকতালে যা দেখি তা হলো কলকাতার ছবি। নাহয় ভারতবর্ষের ছবি দেখিনা। হিন্দী ছবি দেখা বাদ দিয়েছি মেলা আগে। ফেসবুক, ফোরামে প্রলয় ছবিটা নিয়ে নাম শুনছিলাম খুব। তাই নামিয়ে নিলাম দেখব‌ো বলে।
 ছবির শুরুতেই দেখা যায় এক অসহায় পিতা তার ধর্ষিতা মেয়ের প্রতি অন্যায়ের বিচারের জন্য থানায় থানায় ঘুরছেন। কেউই তার কেস নিচ্ছে না, সমাজপতিরা দায়ী বলে। এতে অন্যায়কারীদের সাহস বেড়ে যায়। তারা কুকর্ম করে চলে, এমনকি মায়েরাও বাদ যায় না তাদের পাশবিকতার ছোবল হতে। এমনি সময়ে আবির্ভাব সৎ স্কুল শিক্ষক বরুণ বিশ্বাসের। আর দশজন তরুণের মতো সেও স্বপ্ন দেখে স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার, সমাজের নষ্ট ঘুনে ধরা রাজনীতির ভয়াল থাবামুক্ত থাকার। বরুণ মার দিতে চায় অন্যভাবে। কলম দিয়ে, শিক্ষা দিয়ে, নীতিবাক্য দিয়ে মারতে চায় বরুণ সেই নষ্টদের। জাগরন মঞ্চের আবির্ভাব ঘটে ধর্ষনের প্রতিবাদে। বরুণরা প্রায়ই যা চায় তা পায় না। সমাজে এমনই দেখা যায়। সিনেমায়ও তাই দেখলাম। বরুণের ভালো বন্ধু, অন্যায়ের প্রতিবাদে সহযাত্রী মেয়েটাও শেষ পর্যন্ত বাঁচতে পারে না পশুর লালসার কাছে। সেই বরুণ ক্ষেপে ওঠে, এবার সে জেলে ঢুকিয়ে ছাড়ে ধর্ষককে। আইনের মারপ্যাচ, ক্ষমতার জোরে বেশিদিন জেলে থাকতে হয়নি ধর্ষকদের। জেলে থেকেই ওরা সরিয়ে দেয় বরুণকে, দূর করে দেয় তাদের নীতিবান প্রতিপক্ষকে।

সিনেমা শেষ? উঁহু, এত সহজ নয়। মাত্র তো ইন্টারমিশন, গল্পের শেষাংশ যে এখনো বলা হয়নি। বরুণের পথ ধরে আবির্ভাব ঘটে কলকাতার এক স্কুলের হেডমাস্টার বিনোদ বাবুর। তিনি বুঝতে পারেন না কেন বরুণের মতো ছেলেকে অকালে মরতে হলো, তারই ছাত্রের হাতে। তিনি কি পারবেন সমাজপতিদের টুঁটি চেপে ধরতে? জানতে হলে দেখুন প্রলয়। খারাপ লাগবেনা, আমি ওপার বাংলার সিনেমা দেখে আক্ষেপে পুড়ি মাঝে মাঝে। আমাদের দেশে কেন গল্পের প্রতি নজর দেয়া হয় না? আমরাও তাহলে দূর্দান্ত কিছু মুভি দেখতাম।

ছবিতে বরুণের চরিত্রে পরমব্রত দারুণ করেছে। পরান বন্দোপাধ্যায়, মিমি চক্রবর্তী, শ্বাশ্বত চ্যাটার্জি কিংবা ধর্ষক চরিত্রে রুদ্রনীল সবাই যার যার চরিত্র ফুটিয়ে তুলেছে পরম দক্ষতায়। রাজ চক্রবর্তী একাধারে পরিচালক, স্ক্রীপ্ট রাইটার। বোঝেনা সে বোঝেনা, কানামাছির মতো মুভিও এই রাজের কাজ।

সিনেমায় শুধু নাচ-গান দিলে হয় না, গল্পটাও যুৎসই হতে হয়। দাদারা তা বারবার করছে, আমরা ডিজিটালের নামে প্রহসন না করে ভালো গল্প নিয়ে কাজ করলে মানুষ হলে যাবে। একবার নয়, একাধিকবার যাবে। গল্প ভালো হলে প্রযুক্তি কোন ব্যাপারই না।

সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৩

লিনাক্স মিন্ট সিনামনে থিম-ওয়ালপেপার-আইকন পাল্টানোর উপায়


লিনাক্স মিন্ট একটি জনপ্রিয় ডিস্ট্রো। যারা লিনাক্স নাম শুনে আঁতকে ওঠেন কমান্ডে সব কাজ করতে হবে বলে তাদের জন্য তো বটেই, এমনকি যারা অভিজ্ঞ লিনাক্স ব্যবহারকারী তারাও লিনাক্স মিন্ট পছন্দের তালিকায় রাখবেন। কিছুদিন পূর্বে লিনাক্স মিন্ট ১৬ বা পেত্রা ভার্সনটি রিলিজ করেছে। এই ভার্সনটিতে ডিই বা ডেস্কটপ এনভায়রনমেন্ট হিসাবে মেট ও সিনামন দেয়া হয়েছে। কেডিই ও এক্সএফসিই রিলিজ হবে শীঘ্রই। আমি নিজে চালাচ্ছি সিনামন ৬৪ বিট এডিশন। আজ ছোট্ট একটি টিপস নিয়ে আলোচনা করবো। সেটি হলো লিনাক্স মিন্টে কি করে থিম, ওয়ালপেপার ও আইকন পাল্টানো যায়। কথা না বাড়িয়ে কাজে নেমে পড়া যাক।

ডেস্কটপে মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করলে একটা মেনু খুলবে। সেখানে ওয়ালপেপার পাল্টানোর অপশান পাবেন। ওখানে ক্লিক করলে নতুন উইন্ডো খুলে যাবে। 

সেখান থেকে বেছে নিতে পারবেন পছন্দের ওয়ালপেপার। কিংবা যুক্ত করতে পারেন অন্য কোন ফোল্ডার বা ছবি।


থিম পাল্টানোর জন্য প্যানেলে সেটিংস অপশানে যান। সেটিংসে ক্লিক করলে হিডেন মেনু খুলবে। এবার থিমে ক্লিক করলে আরেকটি উইন্ডো পাবেন। 

সেই উইন্ডো থেকে বেছে নিতে পারেন পছন্দের থিম। যুতসই থিম না পেলে অনলাইনে খোঁজ করতে পারেন। সেই সুযোগও করে দিয়েছে মিন্টের ডেভুরা।
 

আইকন পাল্টানোর জন্য আদার সেটিংসে যেতে হবে। আইকনস লেখা ফিল্ডের ড্রপ ডাউন মেনু থেকে ঠিক করে নিন কি আইকন সেট করতে চাচ্ছেন।

সব ঠিকঠাক করে দেখুন কেমন হলো আপনার কাস্টোমাইজড ডেস্কটপ।

লিনাক্স মিন্ট পেত্রা এখন আমার ল্যাপটপে


লিনাক্স নিয়ে হুজুগ হঠাৎ করে শুরু হয়। যখন আগ্রহ কমে যায় তখন উইন্ডোজে পড়ে থাকি। তবে ল্যাপটপ-ডেস্কটপে একটা পার্টিশানে লিনাক্স থাকবেই। কিছুদিন ওপেনসুয্যে চালিয়েছিলাম। ইনস্টল করা ছিল ল্যাপটপে। এখন লিনাক্স মিন্ট পেত্রা / পেট্রা ইনস্টল করা আছে উইন্ডোজ এইটের পাশাপাশি। মিন্ট নিয়ে একটা নাক সিঁটকানো ভাব কাজ করতো, হয়তো বেশি সহজ বলে। সেজন্য এলিট সেজে থাকার জন্য ওপেনসুয্যে চালাতাম। তবে সিনামন আসার পর মিন্টের প্রতি আগ্রহ জেগেছে। অন্তর্জালের ভাই-বেরাদাররাও বিভিন্নভাবে প্রভাব বিস্তার করেছে। সেই প্রভাবের জের ধরে ল্যাপটপের একটা পার্টিশানে লিনাক্স মিন্ট জায়গা করে নিল। সিনামন ডিই, ৬৪ বিট। ডেস্কটপে চলছে উবুন্টু, ওপেনসুয্যে আপাতত কোন ড্রাইভে নেই।
লিনাক্স মিন্ট ইনস্টল করার পর ক্রাশ করেনি। স্লো হয়নি, একবার খানিক হয়েছিল জেডাউনলোডার চালানোর সময়। এছাড়া কোন সমস্যায় পড়িনি। কোডেক সহ নামানোয় ভিডিও, অডিও চালাতে বাধা পাইনি। ডাউনলোডের জন্য ইউগেট-আরিয়া২ কম্বিনেশানের সাথে জেডাউনলোডার ইনস্টল করে নিয়েছি। পিজিন ভালো কাজ করছে হালকা চ্যাটের জন্য। ইন্টারনেট ব্রাউজের জন্য ফায়ারফক্সই সেরা, আমি ক্রোমিয়াম ইনস্টল করে নিয়েছি। ভিএলসি ইনস্টল হয়েছে ফ্রেশ ইনস্টলেশনের সময়। শাটার ইনস্টল করেছি স্ক্রীনশট নেয়ার জন্য। টরেন্ট নামানোর জন্য ট্রান্সমিশন আছে, তবে খুব সন্তুষ্ট নই তার পারফরম্যান্সে। ডেলুগ্যে ইনস্টল করবো হয়তোবা।

সাজুগুজুর জন্য থিম ইনস্টল করে নিয়েছি কিছু, আইকনও ইনস্টল করেছি। তবুও মিন্ট এক্স আইকন প্যাকটাকেই ভাল লাগে। ফাএনযা মিন্টের সাথে মানায় না, সবুজ ফাএনযা পেলে ইনস্টল দিতাম। পাচ্ছিনা। ভাল লেগেছে ওয়ালপেপারের নতুন কালেকশন।

ব্যাটারি ব্যাকাপ কেমন পাই সেটা একটা প্রশ্ন। উইন্ডোজে যেমন পাই তেমন কখনোই লিনাক্সে পাইনি। এখনো সেভাবে টেস্ট করার সুযোগ হয়ে ওঠেনি। তখন আপডেটেড পোস্ট দিব। তার আগে এটাই বলতে পারি লিনাক্স মিন্ট পেত্রা নিয়ে সন্তুষ্ট। এখন আর এত ঝামেলা করতে ইচ্ছা করে না। কেডিই রিসোর্স হাংরি ডিস্ট্রো, ব্যাকাপ তেমন পেতাম না। সেদিক থেকে সিনামন বেটার হবে বলে বিশ্বাস। ওপেনসুয্যে বাদ দেয়ার এটাও একটা কারন। কেউ যদি দ্বিধায় ভোগেন কোন ডিস্ট্রো ইনস্টল দিবেন, আমি বলবো লিনাক্স মিন্ট ইনস্টল করতে পারেন নির্দ্বিধায়, ঠকবেন না।

আরেকটা কথা, ডুয়াল বুটে উইন্ডোজ ৮ আছে। ওটাকে খুঁজে পেতে পেত্রার কষ্ট হয়নি, ওপেনসুয্যে অন্য ড্রাইভে ইনস্টল করা উইন্ডোজ ৮ পেতই না। নতুন ওপেনসুয্যে কেমন করেছে বলতে পারছিনা, তাই আপাতত ভোট দিলাম লিনাক্স মিন্টে।

Like us on Facebook